• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

দেড় কিলোমিটার রাস্তায় ৫ টি বাঁশের সাঁকো পার করতে হয় এই অঞ্চলের মানুষের/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১৯৬ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪

হাবিবুর রহমান,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাশেম মেম্বারের দোকান থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তায় পাঁচটি বাঁশের সাঁকো রয়েছে। এতে এ অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটিতে স্বাভাবিক হাঁটাচলা করাটাই কষ্টকর হয়ে যায়। এসব সাঁকোর স্থলে রাস্তাটি মেরামত করে দুটি ছোট ব্রীজ নির্মাণ করলে মানুষের কষ্ট কমে যেতো।

জানা যায়, উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের এ রাস্তাটি ওই অঞ্চলর মানুষের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। রাস্তার পাশে রয়েছে জনতা বাজার মইনুল ইসলাম কওমী মাদ্রাসা, মানিকগঞ্জ বাজার দারুস সালাম কওমী মাদ্রাসা ও কে আলম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। আবার ওই তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

জনসাধারণের পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এসব সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। তবে ওই সাঁকোগুলো দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এর মধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী চরকালকিনি ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজারের অধিক মানুষের চলাচলের মাধ্যম এ রাস্তাটি।

জনতা বাজার মইনুল ইসলাম কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইউসুফ বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা এখন এ রাস্তাটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি বার বার ভেঙে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মুফতী শরীফুল ইসলাম বলেন, জনবহুল ওই এলাকার মাত্র দেড় কিলোমিটার রাস্তা মেঘনানদীর অস্বাভাবিক জোয়ার ও বর্ষাকালে অতি বৃষ্টির পানিতে ভেঙে যায়। বর্তমানে গ্রামবাসীর নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো দিয়ে মানুষ ও ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা চলাচল করছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহফুজুর রহমান রাজন মেম্বার বলেন,কয়েকবার ইউএনও ও পিআইও সাহেবকে সরেজমিনে পরিদর্শন করার ব্যবস্থা করেছি। মেঘনানদীর কাছাকাছি হওয়ায় মেরামত করলেই ভেঙে যায়। এখন প্রয়োজন খুব উঁচু করে রাস্তাটি মেরামত করা। এজন্য আমি আমাদের ইউএনও মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

চরমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউছুফ আলী মিয়া বলেন, রাস্তাটি ভেঙে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়। দেখলে মনে হয় বড় খালের মত। আগে দেড় কিলোমিটার পুরো রাস্তাটি মেরামত করা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল আনোয়ার বলেন,এর আগে কেউ তো আমাদেরকে জানায়নি। সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে রাস্তাটি মেরামতের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস বলেন, মেঘনানদী ঘেঁষে রাস্তা হওয়ায় এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তবুও মানুষের চলাচল নির্বিঘ্নে করতে অবশ্যই উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ