• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
*প্রধানমন্ত্রীর প্রথম মালয়েশিয়া সফর ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস, শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসী বৈধকরণের প্রত্যাশা জনগণই বিএনপির শক্তি, ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না’—দিনাজপুরে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আর্মি স্টেডিয়ামে ক্ষুদে ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস, নান্দাইল দলের হারেও আবেগাপ্লুত তথ্য প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জনশক্তি রপ্তানিতে ধস, তিন মাসে বিদেশগামী কর্মী কমেছে ৪১ শতাংশ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে’—পুলিশকে কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে’—টেক্সটাইল সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ১৮ ঘণ্টার অভিযানে বাথরুমের ফলস সিলিং থেকে গ্রেপ্তার প্রযোজক আবুল বাশার মামুন, কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ চীন সফরে শি জিনপিং ও লি কিয়াংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন মাসে যে উন্নয়ন হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি’—গজারিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মুন্সীগঞ্জের উন্নয়নে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন, অবকাঠামো সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে তিনটি পাখি মাছ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১২২ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকৃতির তিনটি পাখি মাছ। সোমবার বিকেলে মাছগুলো আলীপুর মৎস্য আড়তের বিএফডিসি মার্কেটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। পরে নিলামের মাধ্যমে মোট ২৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় মাছগুলো। স্থানীয়দের কাছে ‘সেইল ফিশথ বা ‘গোলপাতা মাছথ নামেও পরিচিত। এ সময় মাছগুলো একনজর দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার জেলে আবু সালেহ জেলেসহ ‘এফবি আল্লাহর দোয়াথ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে গিয়ে জাল ফেললে ইলিশের সঙ্গে পাখি মাছ তিনটিও ধরা পড়ে। সাফা ফিশের স্বত্বাধিকারী মো. চয়ন ৩৫ কেজি ওজনের একটি মাছ ৪০০ টাকা কেজিতে ১৪ হাজার টাকায় এবং বাকি দুটি মাছ স্থানীয় ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন ৯ হাজার টাকায় কিনে নেন।
জেলে আবু সালেহ মাঝি বলেন, গত পরশু দিন কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১৭০ কিলোমিটার গভীরে জাল ফেলতেই ইলিশের সঙ্গে এ মাছগুলো উঠে আসে। আগে এসব মাছ বেশি ধরা পড়ত।
সাফা ফিসের স্বত্বাধিকারী মো. চয়ন বলেন, এ ধরনের মাছ সচরাচর দেখা যায় না। এলাকায় চাহিদা কম হওয়ায় ঢাকায় বিক্রির জন্য পাঠানো হবে। তবে মাছটি বেশ সুস্বাদু এবং দামেও তুলনামূলকভাবে কম।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘পাখি মাছ সাধারণত গভীর সমুদ্রে থাকে। পরিবেশগত পরিবর্তন ও ঘন ঘন সমুদ্রের আবহাওয়া খারাপ থাকায় এসব মাছ তীরে আসে না। তাই কম ধরা পড়ে। তবে আগের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে এসব মাছের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি, বড় আকৃতির ইলিশের পাশাপাশি জেলেদের জালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ