• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

১০ মার্চ শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী,,

রিপোর্টার: / ১৩৬ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

১০ মার্চ শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি: আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির সভায় ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শেষে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু হবে। প্রতিটি উপজেলায় একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীরা মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। ডোর-টু-ডোর পদ্ধতিতে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুত করা হবে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, চার মাসের মধ্যে পাইলট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ