• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী

রিপোর্টার: / ১০১ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী

এমআইএসটিতে গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বারোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি শিক্ষা খাতে নিহিত রয়েছে। তিনি বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন এবং জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগ অপরিহার্য।

বুধবার (১১ জুন) রাতে রাজধানীর মিরপুরে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর শহীদ ইয়ামিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট গত অর্থবছরের ৮৮ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। তবে পূর্ববর্তী বাজেটে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কিছু ব্যয় যুক্ত থাকায় প্রকৃত তুলনায় ভিন্নতা ছিল। এবার সেই ব্যয় পৃথকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ড. মিলন আরও বলেন, “আমাদের দেশ এত সম্পদশালী ও সম্ভাবনাময়, আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? একমাত্র শিক্ষা খাতেই আমরা এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারিনি। এ খাতে উন্নয়ন ঘটাতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্ব প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে।”

তিনি বলেন, দেশের তরুণ সমাজই সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক কেন্দ্র বা ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়ও বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করছে।

এছাড়া তিনি ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, দেশের সেবার উদ্দেশ্যেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ