• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান নিত্যপণ্যের কর প্রত্যাহার করে জনবান্ধব বাজেট দিয়েছি, মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই’—চকরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, আমরা গড়তে চাই আরও ভালো বাংলাদেশ’—কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবুজে মোড়াবে কালিগঞ্জ: ৫ কিলোমিটার সড়কের পাশে ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ‘স্মৃতি অম্লান’ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সৌদি আরব থেকে ৪৯,৯৮২ জন বাংলাদেশি হাজির দেশে ফেরা সম্পন্নের পথে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য: ২০৩০ সালে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার খাতে কর-ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব ইরানের তেল অবকাঠামো দখলের হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী

রিপোর্টার: / ২৩ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী

এমআইএসটিতে গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বারোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি শিক্ষা খাতে নিহিত রয়েছে। তিনি বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন এবং জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগ অপরিহার্য।

বুধবার (১১ জুন) রাতে রাজধানীর মিরপুরে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর শহীদ ইয়ামিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট গত অর্থবছরের ৮৮ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। তবে পূর্ববর্তী বাজেটে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কিছু ব্যয় যুক্ত থাকায় প্রকৃত তুলনায় ভিন্নতা ছিল। এবার সেই ব্যয় পৃথকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ড. মিলন আরও বলেন, “আমাদের দেশ এত সম্পদশালী ও সম্ভাবনাময়, আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? একমাত্র শিক্ষা খাতেই আমরা এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারিনি। এ খাতে উন্নয়ন ঘটাতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্ব প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে।”

তিনি বলেন, দেশের তরুণ সমাজই সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক কেন্দ্র বা ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়ও বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করছে।

এছাড়া তিনি ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, দেশের সেবার উদ্দেশ্যেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ