• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই বিমানবন্দর: আশাবাদী প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর সন্ধানে ভবনের মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার অভিযান রাশিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন ময়মনসিংহের আল মামুন গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও গ্রেপ্তার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল আলজেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কর্মী ভিসায় বড় পরিবর্তন: চাকরি হারালে ৬০ দিনের সুযোগ বাতিলের প্রস্তাব মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলা, উত্তপ্ত পরিস্থিতি ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শেষ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর, সময় আর বাড়বে না শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ বিশ্বনেতাদের আগমন

রাশিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন ময়মনসিংহের আল মামুন

রিপোর্টার: / ৩ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের খারুয়া গ্রামের বাসিন্দা আল মামুন রাশিয়ায় ইলেকট্রনিক শ্রমিকের কাজের আশায় গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে রাশিয়ায় অবস্থানরত এক সহকর্মীর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবরটি জানতে পারেন। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, মামুনের বয়স ২৪ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল। চলতি বছরের ৭ মে স্ত্রী, এক ছেলে ও পাঁচ মাস বয়সী এক শিশুকন্যাকে রেখে তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ‘জাবাল-এ নূর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামের একটি এজেন্সির মাধ্যমে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজের কথা বলে মামুনকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়। এ জন্য পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর মামুনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে কোনো কাজ না দিয়ে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাঁদের জোরপূর্বক সামরিক পোশাক পরিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে এসব দাবির কোনো স্বাধীন সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।

স্বজনদের ভাষ্যমতে, রাশিয়ায় যাওয়ার পর মামুনদের কাছ থেকে রুশ ভাষায় একটি চুক্তিতে সই নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেছিলেন। সহকর্মীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন হামলায় মামুনের মৃত্যু হয়েছে এবং একই ঘটনায় আরও একজন সহকর্মী আহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্যমতে, মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও এখনো মামুনের ছবি বা কোনো ভিডিও পরিবারের হাতে পৌঁছায়নি।

বর্তমানে মামুনের স্ত্রী মহিমা আক্তার ও মা রোকেয়া আক্তারসহ পুরো পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। স্বজনদের প্রধান দাবি হলো, মামুনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা এবং তাঁকে এভাবে পাঠানোর পেছনে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত জানান, মামুনের মৃত্যুর বিষয়টি পরিবার মৌখিকভাবে তাঁকে অবহিত করেছে। পরিবারকে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আবেদন পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের প্রবাসী কল্যাণ শাখার মাধ্যমে বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ