• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

রাশিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন ময়মনসিংহের আল মামুন

রিপোর্টার: / ৬৪ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের খারুয়া গ্রামের বাসিন্দা আল মামুন রাশিয়ায় ইলেকট্রনিক শ্রমিকের কাজের আশায় গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে রাশিয়ায় অবস্থানরত এক সহকর্মীর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবরটি জানতে পারেন। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, মামুনের বয়স ২৪ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল। চলতি বছরের ৭ মে স্ত্রী, এক ছেলে ও পাঁচ মাস বয়সী এক শিশুকন্যাকে রেখে তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ‘জাবাল-এ নূর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামের একটি এজেন্সির মাধ্যমে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজের কথা বলে মামুনকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়। এ জন্য পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর মামুনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে কোনো কাজ না দিয়ে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাঁদের জোরপূর্বক সামরিক পোশাক পরিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে এসব দাবির কোনো স্বাধীন সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।

স্বজনদের ভাষ্যমতে, রাশিয়ায় যাওয়ার পর মামুনদের কাছ থেকে রুশ ভাষায় একটি চুক্তিতে সই নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেছিলেন। সহকর্মীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন হামলায় মামুনের মৃত্যু হয়েছে এবং একই ঘটনায় আরও একজন সহকর্মী আহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্যমতে, মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও এখনো মামুনের ছবি বা কোনো ভিডিও পরিবারের হাতে পৌঁছায়নি।

বর্তমানে মামুনের স্ত্রী মহিমা আক্তার ও মা রোকেয়া আক্তারসহ পুরো পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। স্বজনদের প্রধান দাবি হলো, মামুনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা এবং তাঁকে এভাবে পাঠানোর পেছনে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত জানান, মামুনের মৃত্যুর বিষয়টি পরিবার মৌখিকভাবে তাঁকে অবহিত করেছে। পরিবারকে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আবেদন পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের প্রবাসী কল্যাণ শাখার মাধ্যমে বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ