
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের তরুণ সমাজ ২০২৪ সালে যেভাবে পরিবর্তনের সূচনা করেছে, তা সারা বিশ্ব দেখেছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণদের দেখানো সেই পরিবর্তনের পথ ধরে এবার রাষ্ট্র ও দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী, ২৩ লাখ স্কাউট এবং ২২ হাজার ডিএনসিসি সদস্যসহ বিশাল এই জনগোষ্ঠী যদি সম্মিলিতভাবে কাজ করে, তবে কোনো বাধাই তাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী দেশজুড়ে চলমান থাকবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং সরকারি-বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগকে সমন্বিত করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। ঢাকা কেন্দ্রিক এই কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ডেঙ্গু মোকাবিলায় ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ভাঙা পাত্র বা পরিত্যক্ত জায়গায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশা জন্মায়। আমরা যদি সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টা সময় নিয়ে নিজেদের বাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থল পরিষ্কার রাখি, তবে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ৮০ শতাংশ পর্যন্ত উন্নতি করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে তা নিরুৎসাহিত করতে হবে। নিজের পরিবার ও সমাজকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন কমিটি’র আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বক্তব্য রাখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনলাইনে এই উদ্বোধনী আয়োজনে যুক্ত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমি আপনাদের কাছে একটা সাহায্য চাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি যতটুকু জানি, বাংলাদেশে স্কাউটের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সংখা প্রায় ৪ কোটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, এখন আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে কীভাবে দেশকে গড়ে তুলবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশকে গড়ে তুলতে হবে, কারণ আমরা এখানে থাকবো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একটা দেশের এতো বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে করা সম্ভব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কাজেই আসেন, আগামী ৩ মাস যে ডেঙ্গুর সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হয়তো আমরা শতভাগ পারবো না, কিন্তু ৮০ ভাগ পারবো।