• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন: এক ফ্রেমে হাস্যোজ্জ্বল মোদি, শি ও পুতিন গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার এআই নজরদারি ও ১০ লেনে উন্নীতকরণে বদলে যাচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে সালামএয়ারের যাত্রা: দীর্ঘ বিরতির পর নতুন দিগন্ত দেশ পুনর্গঠনে তরুণ সমাজকে কাজে লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে বিএনপি বদ্ধপরিকর: রুহুল কবির রিজভী গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়ায় ৩২ জন গ্রেপ্তার মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বড় পরিবর্তনের পথে পেন্টাগন ডেঙ্গু নির্মূলে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সূচনা ড্রোন হামলার আশঙ্কায় মিয়ানমারের মান্দালয় বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত

গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার

রিপোর্টার: / ৩ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাবে বিশ্ববাজারে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। একসময় বিশ্বের মোট এলএনজি রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশের যোগানদাতা কাতার এখন নিজেই সংকটের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে দেশটি প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকারীদের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তথ্যানুযায়ী, বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি বর্তমানে চালু থাকা ও নির্মাণাধীন মার্কিন রপ্তানি প্রকল্পগুলো থেকে গ্যাস সংগ্রহের বিষয়ে আগ্রহী।

যুদ্ধ শুরুর আগে কাতার তাদের রাস লাফান এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন দ্বিগুণ করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছিল। কিন্তু সংঘাতের প্রথম কয়েক সপ্তাহেই ইরানের হামলায় এই বৃহৎ স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, কেন্দ্রটি পুরোপুরি মেরামত করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে গ্যাস ট্যাংকার চলাচলের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় কাতারের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ নেই এবং শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এই সংঘাত ২০২৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদী এই অনিশ্চয়তার মুখে কাতার এখন বাণিজ্যের নতুন পথ খুঁজছে। যদিও কাতারএনার্জি ট্রেডিং ইউনিটের মাধ্যমে তারা স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি ব্যবসার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, তবুও বড় ধরনের ঘাটতি মেটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। উল্লেখ্য, টেক্সাসে অবস্থিত গোল্ডেন পাস এলএনজি কারখানার অন্যতম মালিক কাতার। গত এপ্রিল থেকে এই কারখানাটি রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ক্রমাগত উৎপাদন বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে নিজস্ব সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে কাতারএনার্জির এই উদ্যোগ জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই নতুন আমদানির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি কাতারএনার্জি। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট এই সংকট যে কাতারকে তাদের কৌশলগত পরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়নে বাধ্য করেছে, তা এখন স্পষ্ট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাতে বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যম এমন তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্ভাব্য এই চুক্তিগুলো থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ কীভাবে কাতারকে তার গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে গ্যাসের বিকল্প উৎস খুঁজতে বাধ্য করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে কাতারএনার্জি সাড়া দেয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ