• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবাসী ও রেমিট্যান্স আয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম: বিদেশ গমনেও এগিয়ে এই বিভাগের বাসিন্দারা দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৮১ কোটি টাকা তুলেছেন গ্রাহকরা হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর সংলগ্ন রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয় ইউনিট ভোলায় সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত ও কবিতার ছন্দময় আবেশ না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া ২০২৪ লুসিয়া সিসিচ, শোকের ছায়া বিনোদন অঙ্গনে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি রোধে কঠোর অবস্থানে সরকার প্রেক্ষাপট: আরব লিগ কাউন্সিলের ১৬৬তম স্থায়ী প্রতিনিধি সভায় কাতারের অংশগ্রহণ সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল ফোন জব্দ

দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৮১ কোটি টাকা তুলেছেন গ্রাহকরা

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনেও গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ব্যাংকটির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনে ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক ৩২৭ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এর আগে প্রথম দিন সোমবার ৫ হাজার ৫৩২ জন গ্রাহক ২৫৪ কোটি টাকা তুলেছিলেন। সব মিলিয়ে দুই দিনে মোট ১৩ হাজার ৪২৮ জন গ্রাহক ব্যাংকটি থেকে ৫৮১ কোটি টাকা উত্তোলন করলেন।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই আমানত ফেরত প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়কালে আমানত ফেরত পেতে আগ্রহী গ্রাহকদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই সময়ে প্রায় ৭৪ হাজার আমানতকারী মোট ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো আমানতকারী যেন অর্থ না পেয়ে ফিরে না যান, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।

আমানত ফেরতের পাশাপাশি বর্তমানে ব্যাংকটি অনলাইনে অর্থ স্থানান্তরের কার্যক্রমও শুরু করেছে, যার ফলে দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর নতুন ব্যাংকটির কার্যক্রমে গতি ফিরতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সংকটে থাকা পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাইফুল আলমের (এস আলম) নিয়ন্ত্রণে ছিল। এছাড়া এক্সিম ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

বর্তমানে নতুন ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও এখনো একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের শাখাগুলো পৃথকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সারা দেশে এই পাঁচটি ব্যাংকের মোট শাখার সংখ্যা ৭৬১টি। আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তায় এই একীভূতকরণ ও অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ