• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৮১ কোটি টাকা তুলেছেন গ্রাহকরা হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর সংলগ্ন রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয় ইউনিট ভোলায় সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত ও কবিতার ছন্দময় আবেশ না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া ২০২৪ লুসিয়া সিসিচ, শোকের ছায়া বিনোদন অঙ্গনে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি রোধে কঠোর অবস্থানে সরকার প্রেক্ষাপট: আরব লিগ কাউন্সিলের ১৬৬তম স্থায়ী প্রতিনিধি সভায় কাতারের অংশগ্রহণ সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল ফোন জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, পলিথিন ব্যবহারে জিরো টলারেন্স

ভোলায় সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার: / ২ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডে বা মেইনল্যান্ডে নিয়ে যেতে প্রায় সাত বছর সময় লাগতে পারে। এই দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষায় না থেকে ভোলাতেই গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা, সার কারখানা এবং নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১৭-এর সদস্য সুলতানা আহমেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ভোলার গ্যাসের স্থানীয় ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সেখানে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা আঞ্চলিক অর্থনীতির আকার বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বর্তমানে অনেক শিল্প উদ্যোক্তাই সেখানে গ্যাসভিত্তিক কারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। জাতীয় স্বার্থে ভোলার গ্যাসের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সেখানে একটি বড় সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এছাড়া ভোলার ভেদুরিয়া ও ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলএনজিতে রূপান্তর করে লাইটারেজ অপারেশনের মাধ্যমে খুলনার বিদ্যুৎ হাবে সরবরাহের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভোলার গ্যাসের যথাযথ ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।

ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি বিশেষ কৌশলগত উন্নয়ন কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩১ মেয়াদের এই পরিকল্পনায় দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ভোলার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, প্রাকৃতিক সম্পদ, জলবায়ু ঝুঁকি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় সম্পদের অবদান বাড়াতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন এই কাঠামোর আওতায় ভোলা ও এর আশপাশের দ্বীপগুলোকে ব্লু ইকোনমির সেন্ট্রাল জোনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই জোনে ইলিশসহ মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দ্বীপ জেলা ভোলার ভৌগোলিক অবস্থান, গ্যাসসম্পদ, উর্বর কৃষিজমি ও মৎস্যসম্পদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সরকারপ্রধান। এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে ভোলার অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ