• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে ভারতজুড়ে উত্তাল বিক্ষোভ বোয়িং থেকে বিমান কেনায় বাংলাদেশ-তুরস্ক নিয়ে ট্রাম্পের উচ্ছ্বাস অনলাইনে হ্যাকিং ও প্রতারণা রুখতে মেনে চলুন ৬টি জরুরি অ্যালকোহল পরীক্ষায় ব্যর্থ এয়ার ইন্ডিয়ার ফার্স্ট অফিসার, সাময়িক বরখাস্ত শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হলো কবি আখতার হুসেনকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার সৌদির ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স জাতিসংঘে তারেক রহমান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই গড়বে আগামী বিশ্বের মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, কাটছে গ্যাস সংকট হরমুজ প্রণালি খুলতে যুদ্ধবিরতি ও সম্পদ মুক্তির শর্ত ইরানের

অনলাইনে হ্যাকিং ও প্রতারণা রুখতে মেনে চলুন ৬টি জরুরি

রিপোর্টার: / ১ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার প্রতারণা, অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এবং ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য চুরির মতো ঘটনা। ইমেইল, সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা অনলাইন কেনাকাটার মতো প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারের সময় সামান্য অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে সাইবার অপরাধীরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তবে খুব জটিল প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োজন ছাড়াই কিছু সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে এই ঝুঁকিগুলো অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব।

সফটওয়্যারের নিয়মিত আপডেট করা অনলাইনে নিরাপদ থাকার প্রথম ধাপ। স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে যখনই কোনো সফটওয়্যার আপডেটের নোটিফিকেশন আসবে, তা ফেলে না রেখে দ্রুত সম্পন্ন করা উচিত। এই আপডেটগুলো কেবল নতুন ফিচারের জন্যই নয়, বরং সফটওয়্যারের নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো সারিয়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইয়াহুর এক প্রতিবেদনে অনলাইনে নিরাপদ থাকার ছয়টি সহজ অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে। ফোন, কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসে সফটওয়্যার আপডেটের নোটিফিকেশন এলে তা এড়িয়ে না গিয়ে দ্রুত ইনস্টল করা উচিত।

অনলাইন অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় পাসওয়ার্ডের ভূমিকা অপরিসীম। সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা মোটেও নিরাপদ নয়। প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়, যেখানে অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীকের সংমিশ্রণ রাখা জরুরি। পাসওয়ার্ডের দীর্ঘ তালিকা মনে রাখার ঝামেলা এড়াতে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করাও নিরাপদ নয়। এতে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর পরিচয় যাচাইয়ের জন্য আরও একটি ধাপ যুক্ত হয়।

পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি এখন ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ বা দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা অপরিহার্য। এই ব্যবস্থা চালু থাকলে লগইন করার সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে মুঠোফোনে আসা যাচাইকরণ কোড বা অথেনটিকেটর অ্যাপের অনুমোদন প্রয়োজন হয়, যা অ্যাকাউন্টকে বাড়তি সুরক্ষা দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ইমেইলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এটি অবশ্যই চালু রাখুন। নতুন ফিচার যুক্ত করার পাশাপাশি এসব আপডেটে নিরাপত্তা দুর্বলতা ও সফটওয়্যারের ত্রুটিও ঠিক করা হয়।

সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করার প্রবণতা এড়িয়ে চলা উচিত। অনেক সময় ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে প্রলুব্ধকর লিংক পাঠিয়ে ভুয়া ওয়েবসাইট বা ক্ষতিকর সফটওয়্যারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্যাংকিং বা কোনো প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ব্যবহারের প্রয়োজন হলে সরাসরি তাদের অফিসিয়াল লিংকে প্রবেশ করুন, কখনোই মেসেজে আসা লিংকে ক্লিক করবেন না।

অনলাইনে গোপনীয়তা বাড়াতে ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও এটি সর্বরোগের ওষুধ নয়। তাই এর ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখাই মূল চাবিকাঠি। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। জন্মতারিখ, পোষা প্রাণীর নাম কিংবা পরিবারের সদস্যদের তথ্য হ্যাকারদের কাজ সহজ করে দেয়। ব্যক্তিগত পোস্টগুলো পরিচিত বন্ধুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন এবং কোনো কিছু শেয়ার করার আগে তা ভেবে নিন। সঠিক সতর্কতাই পারে সাইবার ঝুঁকি থেকে আপনাকে সুরক্ষিত রাখতে। বিশেষ করে পোষা প্রাণীর নাম, জন্মদিন, শৈশবের তথ্য বা পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করলে তা বিভিন্নভাবে অপব্যবহার হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ