
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টার দিকে বৈদ্যার বাজার এলাকার আল-মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহগুলো উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। উদ্ধারের অপেক্ষায় থাকা নিখোঁজদের তালিকায় এখনো রয়েছেন তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন। উদ্ধার হওয়া মৃতরা হলেন হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজীব হোসেন (২৪), মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলে সামিন হোসেন। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুইদিন পর ৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার বিকেলে, যখন কুমিল্লার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে গরু-ছাগলসহ ১৩ যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার সোনারগাঁওয়ের মায়াময়ী গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল। পথে মেঘনা নদীর মাঝপথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনায় আটজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও এক নারী নিখোঁজ ছিলেন, যার মরদেহ পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেদিন উদ্ধার অভিযান চলাকালে ঢাকার ডুবুরি দল রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালায়। তবে বৈরী আবহাওয়া ও অন্ধকারের কারণে রাতে অভিযান স্থগিত করা হয়।
পরদিন শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের যৌথ দল ফের উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। দিনভর চেষ্টা চালিয়ে ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা গেলেও নিখোঁজদের পাওয়া যায়নি। এ সময় ট্রলারের ভেতর থেকে দুটি গরু ও একটি খাসির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ অপর ব্যক্তির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।