• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা

রিপোর্টার: / ৪ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে গিয়ে শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিত্যপণ্যের চড়া দামের চিত্র দেখা গেছে। বাজারে সবজি কেনা এখন সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম, যার কেজি ২০০ টাকা। তবে সবজির মধ্যে পেঁপে কিছুটা সাশ্রয়ী, যা কেজিপ্রতি ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের মতো সাধারণ সবজি কিনতে ক্রেতাকে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচে।

বাজারে শীতের আগাম সবজির দাম বেশ চড়া। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। করলা, ঝিঙে ও বরবটির দাম কেজিপ্রতি ৮০ টাকা। এছাড়া কচুরমুখি ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দামে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে; সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি হলেও দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে, এখন মানভেদে তা ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায় কিনেছেন।

ইদ্রিস মিয়া নামের এক ক্রেতা জানান, সবকিছুর দামই এখনো অনেক বেশি। এদিকে, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে; প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা এবং হালি ৫৫ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

মাছের বাজারেও অস্থিরতা কমেনি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। সুলতান আহমদ নামে একজন মাছ বিক্রেতা জানান, মাছের দাম সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে, যা অনেক সময় সকাল-বিকেলেও পরিবর্তিত হয়। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি কই ও ট্যাংরা মাছের দাম ৭০০ টাকা, শোল মাছ ৭০০ টাকা এবং বাইম মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজির মধ্যে রয়েছে। পোয়া মাছ ২৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের মতো কিছু বিশেষ মাছ কিনতে কেজিতে হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বিক্রেতাভেদে ও মাছের গুণমান অনুযায়ী সব জায়গায় ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দামের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ এবং চাষের কই ৩০০ টাকা কেজি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ