• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বয়স্কদের বিমান ভ্রমণ সহজ করতে হামাদ ও ‘ইসান’র যৌথ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে দুর্গাপূজার টানা দীর্ঘ ছুটি নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার বিমানবন্দর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আখতারুজ্জামানকে মুক্তি দিন: গোলাম পরওয়ার সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলা, পাল্টা সানায় বিমান হামলা মদিনার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হুতিদের ড্রোন হামলার নিন্দা বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সামরিক শক্তি ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন প্রতারণা করলে বই ছাপার কাজ আর নয়: শিক্ষামন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বর্ণ ও মালামালসহ আটক ৭ এক রাতেই তিন দফা ভূমিকম্পে কাঁপল সীমান্ত ও বাংলাদেশ

নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার বিমানবন্দর

রিপোর্টার: / ৫ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

আসন্ন নভেম্বরের শুরুতেই কক্সবাজার আঞ্চলিক বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। রাজধানীতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই ঘোষণা দেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর ফলে কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি পর্যটকসহ প্রবাসীদের যাতায়াত আরও সহজতর হবে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি দেশের বাইরে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কক্সবাজারে যাতায়াতও সহজ হতে পারে।

দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদান বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বর্তমান সরকার। বর্তমানে জিডিপিতে এই খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ হলেও, তা ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একটি পর্যটনকেন্দ্রিক হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে আধুনিক, টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর ফলে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতসহ বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে ভ্রমণ করেন।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তন করা হয়েছে। টেকসই পর্যটন, ডিজিটাল রূপান্তর, সেবার মান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের মতো ১৩টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরতে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টল প্রদর্শন করা হয়।

এই স্টলগুলোতে বাংলাদেশের জিআই পণ্য, কারুশিল্প, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শন করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তির সমন্বয়ে দর্শনার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়। সরকারের এই সামগ্রিক উদ্যোগ দেশের পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা। দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা দেশের বিভিন্ন পর্যটনস্থল সম্পর্কে আধুনিক ও আকর্ষণীয় উপায়ে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ