• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

পরীক্ষার কেন্দ্রের বাইরে নানীর কোলে শিশু সন্তান মা দিচ্ছেন এসএসসি পরীক্ষা /দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ৩৯৬ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১

লালমোহন প্রতিনিধি।। চলমান এসএসসি, দাখিল সমমান পরীক্ষায় রবিবার (২১ নভেম্বর) ভোলার লালমোহন সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের ভীড়। পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটো রিক্সার ভেতরে ছোট্ট শিশুর কান্নার আওয়াজ। মা ছাড়া যেনও এ কান্না থামানোর কোনও সুযোগ নেই।
এগিয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিশুটিকে কোলে নিয়ে কান্না থামানোর চেষ্টা করছেন এক মহিলা। তাঁর সাথে আলাপকালে জানা যায়, শিশুটি তার নাতি, নাম মো. আলী, বয়স একমাসও পেরোয়নি। আলীর মা লাইজু বেগম উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।
প্রায় বছরখানেক আগে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের প্যারিমোহন গ্রামের ইমন দর্জির সাথে বিয়ে হয়েছিল লাইজুর।
এদিকে সন্তান কোলে যেহেতু পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ নেই, তাই শিশু আলীকে নানীর কোলে রেখে পরীক্ষা দিচ্ছেন মা লাইজু বেগম।
এদিন খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ১বছর বয়সী নাতনী সামিয়াকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন নানী রেনু বিবি। আর সামিয়ার মা সুমি আক্তার উপজেলার কালমা ইউনিয়নের বালুচরহাট দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।
আলাপকালে রেনু বিবি জানান, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে ঢাকায় খালার বাসায় বেড়াতে যায় সুমি আক্তার। প্রায় দুই বছর আগে সেখানেই সাদ্দাম নামে এক ছেলের সাথে বিয়ে হয় তার।
এদিকে পরীক্ষা শুরু হলে ঢাকা থেকে শিশু কন্যা সামিয়াকে নিয়ে এলাকায় এসে পরীক্ষায় বসেছে সুমি। তাই নানীর কোলেই ঠাঁই হয়েছে শিশু সামিয়ার।
লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে কিছু অসচেতন পরিবার তাদের সন্তানদের বিয়ে দিয়েছে। তবুও যেহেতু ওই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে, এটা অবশ্যই ভাল দিক। আমরা এসব শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা অব্যাহত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
এছাড়াও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব বাল্যবিয়ে রোধে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ