• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

বাউফলে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানের মদ খাওয়ার ছবি ভাইরাল/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২৭৮ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর বাউফলে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানের মদ খাওয়া অবস্থায় মদের আসরের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এতে ক্ষোভের দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে।

ভাইরাল হওয়া ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম মোঃ সালেহ উদ্দিন পিকু। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এবং কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।

নাম না বলা শর্তে একাধিক জানান, তিনি প্রায় সময়ই মদ্যপান অবস্থায় থাকেন। তার কারণে আজকে কেশবপুর ইউনিয়ন অশান্ত পরিবেশ। তিনি একজন আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান এবং একটি কলেজের অধ্যক্ষ। তাকে দিয়ে কি আশা করে জাতি।

এব্যাপারে জানতে সালেহ উদ্দিন পিকুর মোবাইল নম্বরে একাধিক বার কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আসাদুল ইসলাম জুয়েল বলেন, একজন নেতা, একজন শিক্ষক, একজন চেয়ারম্যান যদি এরকম অসুস্থ অবস্থায় থাকে তাহলে তাকে দিয়ে কি আশা করা যায়। আফসোস তার মদ্যপানরত অবস্থায় ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে।

এবিষয়ে কথা বলতে প্রতিবেদক উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খানকে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব হাওলাদারকে একাধিক বার কল করা হলেও কল রিসিভ করে কথা না বলায় কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ