• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব: ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ…. বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত, দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, আইনের ভিত্তিতেই বিচার হবে: শামা ওবায়েদ গুমের শিকার পরিবারকে সহায়তার দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ফখরুলের তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সীমা নির্ধারণে আহ্বান তথ্যমন্ত্রী স্বপনের ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবি, নিহত অন্তত ৮০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার কলাপাড়ায় গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১

২৫০ জনকে কামড়িয়ে পাগল হনুমান এখন কারাগারে বন্দী।

রিপোর্টার: / ৩৮৬ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০

দৈনিক ক্রাইম বাংলা ঃ হিন্দুরা হনুমানকে স্মরণ করে। কিন্তু সেই হনুমানই হলো বিপদের কারণ। ভারতের কানপুরে এক হনুমানের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়েছিল বাসিন্দারা। হনুমানটি প্রায় ২৫০ জনকে কামড়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করেছিল। পরে সেই তাণ্ডব ঠেকাতে তাকে আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, ভারতের উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর জেলার ঘটনা এটি। বছর তিনেক আগে এই হনুমান এলাকায় ভীতি ছড়িয়েছিল। স্থানীয়রা তার নাম দিয়েছিল ‘কালুয়া’। এলাকার মোট ২৫০ জনকে কামড়ে দিয়েছিল সে। যাদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছিল।

স্থানীয়রা জানায়, এসবের জন্য শুধু হনুমানকে দোষারোপ করলেই হবে না। তার জন্য দায়ী অবশ্য মানুষও। কারণ এর নেপথ্যে রয়েছে মানুষের

কুকীর্তি। হনুমানটি এক তান্ত্রিকের পোষ্য ছিল। যিনি নিয়মিত হনুমানকে মদ খাওয়াতেন। ফলে দিন দিন মদ্যপান করে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল কালুয়া।

সূত্র আরও জানায়, ওই তান্ত্রিক বেঁচে থাকাকালীন প্রতিদিনই মদের নেশায় মাতাল হয়ে থাকত কালুয়া। তবে কারও কোনো ক্ষতি করত না। কিন্তু তান্ত্রিক মারা যাওয়ার পরই বদলে যায় হনুমানটা। মদ না পেয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। তারপর থেকেই মানুষকে কামড়াতে শুরু করে বলে জানা যায় ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ