• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫২ থানায় সম্মেলন বাস্তবায়নে সাংগঠনিক উন্নয়ন সভার উদ্যোগ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঢাকা মহানগরের চুনারুঘাটে পুত্রবধূর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা, ঘরে আগুন দেওয়ারও অভিযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে ঢাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমিরের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী

সাবেক মন্ত্রী গৌর চন্দ্র বালার ১৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী ফরিদপু।

রিপোর্টার: / ৩৮৩ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০

এসএম আবুল বাশার ফরিদপুর প্রতিনিধি :-     মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, যুক্তফ্রন্ট সরকারের বন ও খাদ্য মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা, অ্যাডভোকেট গৌর চন্দ্র বালার ১৫ তম মৃত্যুবার্ষিকীছিল গতকাল বুধবার। গৌর চন্দ্র বালার মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে গতকাল বুধবার প্রয়াত গৌর চন্দ্র বালার ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলিস্থ বাস ভবন ‘বালা-বাড়িথ, মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের উল্লাবাড়ী গ্রামের বাড়ি, গোপালগঞ্জ সদরের পাটিকেল বাড়িস্থ প্রয়াতের শ্বশুরবাড়িতে পারিবারিকমন্ডলে গীতা পাঠ ও পূজা-অর্চণার আয়োজন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত ২০০৫ সালের এই দিনে তিনি ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলিস্থ বাসভবনে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন গৌর চন্দ্র বালা। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে ক্ষমতাশীন মুসলিম লীগের মন্ত্রী দ্বারকানাথ বাড়–রীর জামানত বাজেয়াপ্ত করে নির্বাচিত হন তিনি । ১৯৫৬ সালে তিনি যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদে প্রথমে বন ও পরে খাদ্য মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত স্বৈরাচারী আইউব বিরোধী আন্দোলনে তিনি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে আংশ নেন। সত্তুরের নির্বাচনে তিনি ফরিদপুর-১ আসন থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ