• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

এখনো ফেরেনি গভীর সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া জেলেরা,বেশির ভাগ মৎস্য আড়ৎ খালি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মনির হাওলাদার।। / ২০৫ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩

মনির হাওলাদার।।

দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর গভীর সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া জেলেরা এখানো ফিরেনি ঘাটে। তাই পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য বন্দরের বেশির ভাগ মৎস্য আড়ৎ এখন ফাঁকা। তবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ডিঙ্গি নৌকা ও ছোট ট্রলার নিয়ে যাওয়া জেলেরা ফিরছেন আড়ৎ ঘাটে। এদের মধ্যে কেউ ফিরেছেন খালি হাতে। কেউবা আবার এসেছেন কিছু সংখ্যক মাছ নিয়ে। তবে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে গভীর সাগরে অবস্থানরত জেলেদের জালে ধরা পড়তে পারে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ এমটাই জানিয়েছে মৎস্য সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার সাথে সাথে রবিবার দিনভর ইলিশ শিকারে জেলেরা ট্রলার নিয়ে ছুটেছেন গভীর সমুদ্রে। এসব ট্রলারের জেলেরা সাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করছে। আবার কেউ জাল ফেলেছে। কেউবা জাল ফেলার জন্য প্রস্ততি নিচ্ছেন। ওইসব ট্রলার গুলোতে মাছ সংরক্ষণের জন্য বরফ, জ্বালানিসহ বেশ কয়েক দিনের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে গেছে।
ট্রলার ও আড়ৎ মালিকরা জানান, জেলেরা সাগরের পানি দেখলে বুঝতে পারেন, ইলিশ আছে, না নেই। ইলিশ যেখানে থাকবে, সেখানকার পানির লালচে রং ধারণ করে। ডিম ছেড়ে ইলিশগুলো এখন উপকূলের কাছাকাছি সাগরে অবস্থান করতে পারে। তাই তাঁরা ট্রলার নিয়ে ঘুরেফিরে এসব স্থানে ইলিশের সন্ধান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোন ট্রলারই ঘাটে আসেনি। বিগত বছরের মন্দা কাটিয়ে এ বছর সাগরে মিলবে কাংখিত রুপালী ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ এমন প্রত্যাশাই তাদের।
আলীপুর-কুয়াকাটা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনছার উদ্দিন মোল্লা জানান, টানা দুইমাস নিষেধাজ্ঞা শেষে মহিপুর-আলিপুর আড়ৎ ঘাট থেকে সব ট্রলারই সাগরে গেছে। এখন পর্যন্ত মাছ শিকারে করে ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরেনি জেলেরা।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, মাছ ধরার উপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় সমুদ্রে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আশাকরি জেলেদের জালে কাংখিত ইলিশ ধরা পরবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ