Array দূর্ভোগে তিন গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ কক্সবাজার সদরের । দূর্ভোগে তিন গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ কক্সবাজার সদরের । – Daily Crime Bangla
  • সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদে টানা ৭ দিন ব্যাংক বন্ধ, বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে কিছু শাখা কলাপাড়ায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি ও ধান বীজ বিতরণ কলাপাড়ায় লবণ পানিতে প্লাবিত ফসলি জমি, সুইজ গেট চালুর দাবী কৃষকদের বাংলাদেশে জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ,,,,, কুমিল্লা বিভাগ দাবিতে ইতিবাচক প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েরও আশ্বাস অর্থনীতি এখনো চাপে, পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে লাগতে পারে আরও দুই বছর: অর্থমন্ত্রী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার পাঁচ খুন মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার মরদেহ রাজশাহীর সমাবেশে বিএনপিকে নিয়ে কড়া মন্তব্য জামায়াত আমিরের, উত্তপ্ত রাজনৈতিক মাঠ করব কাজ, গড়ব দেশ”—খাল পুনঃখনন উদ্বোধনে উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

দূর্ভোগে তিন গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ কক্সবাজার সদরের ।

রিপোর্টার: / ৪০১ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

কক্সবাজার প্রতিনিধি কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওয়ে মাত্র ৫শ ফুট সড়কের জন্য ১০ বছর ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন পাঁচ গ্রামের অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। প্রায় ১০ বছর আগে পাহাড়ি ও বর্ষার ঢলে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসীকে এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ঈদগাঁও বাসস্টেশন থেকে দরগাহপাড়া ও ভাদিতলা পর্যন্ত এ সড়কের বিধ্বস্ত সড়কটি জরুরিভিত্তিতে মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।এলাকাবাসী জানান, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসস্টেশনের পূর্বপাশে ভাদিতলা, দরগাহপাড়া, শিয়াপাড়া ও পশ্চিম ভাদিতলা গ্রামে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বাস। এখানে যাতায়াতের একমাত্র পথ ‘বাস স্টেশন-দরগাহপাড়া-ভাদিতলা’ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারের সড়কটি। কিন্তু বিগত বছর দশেক আগে পাহাড়ি ঢলের ঈদগাঁও ফুলেশ্বরী নদীর পালপাড়া অংশটি ভেঙে সড়কটির দরগাহপাড়ার পশ্চিমাংশে প্রায় ৫শ ফুট রাস্তা ভেঙে একেবারে জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেছে রাস্তার আরও কিছু অংশ। তখন থেকে বিভিন্ন দপ্তরে নানাভাবে যোগাযোগ করা হলেও সড়কটি মেরামতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় গ্রামবাসী জাহাঙ্গীর।

তিনি বলেন, স্থানীয়রা স্ব-উদ্যোগে কাঠের সাঁকো তৈরি করে শুষ্ক মৌসুমে যাতায়াত সচল রাখতে সক্ষম হলেও প্রতিবছর বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে কাঠের সাঁকোটি ভেসে যায়। বর্ষাশেষে আবার সাাঁকো মেরামত করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতে গত ১৬ জুনের ভারি বর্ষণেও ফের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। ফলে ৩ গ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখন বিচ্ছিন্ন।

স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নুরুল হাকিম নুকি বলেন, ভাঙা সড়কটি মেরামতে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদও বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কোনোভাবেই লাঘব হচ্ছে না বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ