• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা

দূর্ভোগে তিন গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ কক্সবাজার সদরের ।

রিপোর্টার: / ৪২৬ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

কক্সবাজার প্রতিনিধি কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওয়ে মাত্র ৫শ ফুট সড়কের জন্য ১০ বছর ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন পাঁচ গ্রামের অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। প্রায় ১০ বছর আগে পাহাড়ি ও বর্ষার ঢলে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসীকে এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ঈদগাঁও বাসস্টেশন থেকে দরগাহপাড়া ও ভাদিতলা পর্যন্ত এ সড়কের বিধ্বস্ত সড়কটি জরুরিভিত্তিতে মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।এলাকাবাসী জানান, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসস্টেশনের পূর্বপাশে ভাদিতলা, দরগাহপাড়া, শিয়াপাড়া ও পশ্চিম ভাদিতলা গ্রামে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বাস। এখানে যাতায়াতের একমাত্র পথ ‘বাস স্টেশন-দরগাহপাড়া-ভাদিতলা’ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারের সড়কটি। কিন্তু বিগত বছর দশেক আগে পাহাড়ি ঢলের ঈদগাঁও ফুলেশ্বরী নদীর পালপাড়া অংশটি ভেঙে সড়কটির দরগাহপাড়ার পশ্চিমাংশে প্রায় ৫শ ফুট রাস্তা ভেঙে একেবারে জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেছে রাস্তার আরও কিছু অংশ। তখন থেকে বিভিন্ন দপ্তরে নানাভাবে যোগাযোগ করা হলেও সড়কটি মেরামতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় গ্রামবাসী জাহাঙ্গীর।

তিনি বলেন, স্থানীয়রা স্ব-উদ্যোগে কাঠের সাঁকো তৈরি করে শুষ্ক মৌসুমে যাতায়াত সচল রাখতে সক্ষম হলেও প্রতিবছর বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে কাঠের সাঁকোটি ভেসে যায়। বর্ষাশেষে আবার সাাঁকো মেরামত করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতে গত ১৬ জুনের ভারি বর্ষণেও ফের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। ফলে ৩ গ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখন বিচ্ছিন্ন।

স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নুরুল হাকিম নুকি বলেন, ভাঙা সড়কটি মেরামতে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদও বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কোনোভাবেই লাঘব হচ্ছে না বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ