• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতি দল মান্দা উপজেলার আংশিক কমিটির অনুমোদন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। ঢাকা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত। নওগাঁয় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ইকরামুলকে বহিষ্কার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। পরাণপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির দোয়া ও শোকসভা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। মান্দার মৈনম ইউনিয়ন সমবায় দলের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক পরিবহন সংস্থার ব্রাক্ষনগাঁও শাখার উদ্বোধন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। নওগাঁয় মান্দার বর্দ্দপুরে নবনির্মিত মসজিদ উদ্বোধন করলেন ডা. ইকরামুল বারী টিপু/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। মান্দায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। নওগাঁ-৪ আসনে প্রকাশ্যে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে টাকা প্রদান করায় জামায়াতের প্রার্থী শোকজ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। মান্দার খাগড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাতে দোয়া ও শোকসভা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

দূর্ভোগে তিন গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ কক্সবাজার সদরের ।

রিপোর্টার: / ৩৭২ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

কক্সবাজার প্রতিনিধি কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওয়ে মাত্র ৫শ ফুট সড়কের জন্য ১০ বছর ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন পাঁচ গ্রামের অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। প্রায় ১০ বছর আগে পাহাড়ি ও বর্ষার ঢলে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসীকে এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ঈদগাঁও বাসস্টেশন থেকে দরগাহপাড়া ও ভাদিতলা পর্যন্ত এ সড়কের বিধ্বস্ত সড়কটি জরুরিভিত্তিতে মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।এলাকাবাসী জানান, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসস্টেশনের পূর্বপাশে ভাদিতলা, দরগাহপাড়া, শিয়াপাড়া ও পশ্চিম ভাদিতলা গ্রামে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বাস। এখানে যাতায়াতের একমাত্র পথ ‘বাস স্টেশন-দরগাহপাড়া-ভাদিতলা’ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারের সড়কটি। কিন্তু বিগত বছর দশেক আগে পাহাড়ি ঢলের ঈদগাঁও ফুলেশ্বরী নদীর পালপাড়া অংশটি ভেঙে সড়কটির দরগাহপাড়ার পশ্চিমাংশে প্রায় ৫শ ফুট রাস্তা ভেঙে একেবারে জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেছে রাস্তার আরও কিছু অংশ। তখন থেকে বিভিন্ন দপ্তরে নানাভাবে যোগাযোগ করা হলেও সড়কটি মেরামতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় গ্রামবাসী জাহাঙ্গীর।

তিনি বলেন, স্থানীয়রা স্ব-উদ্যোগে কাঠের সাঁকো তৈরি করে শুষ্ক মৌসুমে যাতায়াত সচল রাখতে সক্ষম হলেও প্রতিবছর বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে কাঠের সাঁকোটি ভেসে যায়। বর্ষাশেষে আবার সাাঁকো মেরামত করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতে গত ১৬ জুনের ভারি বর্ষণেও ফের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। ফলে ৩ গ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখন বিচ্ছিন্ন।

স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নুরুল হাকিম নুকি বলেন, ভাঙা সড়কটি মেরামতে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদও বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কোনোভাবেই লাঘব হচ্ছে না বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ