• শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানের সম্প্রীতি ও মিলনমেলায় ঢাকা প্রেস ক্লাব-এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল প্রেস ক্লাব চত্বরে ৫ সাংবাদিক নিষিদ্ধ: ডিইউজে’র তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা মিয়ানমারে ভূমিকম্প, কম্পনে কেঁপে উঠল ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা,,, রমজানে সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ: সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প খুঁজছেন? নিরাপদ ৫ মেসেজিং অ্যাপ সম্পর্কে জানুন,, উন্নয়নের মহাসড়কে মৃত্যু মিছিল: সড়ক নিরাপত্তায় জরুরি রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রয়োজন,, ভিনিসিয়ুসের শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোয় রিয়াল মাদ্রিদ,,, উচ্চ সুদ-ডলার চাপ ও জ্বালানি সংকটে বেসরকারি খাত স্থবির,,, বিদেশি বিনিয়োগে ধস, আস্থা ফেরাতে কঠিন পরীক্ষায় নতুন সরকার,,, ঈদযাত্রা সামনে রেখে ৩ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি,,,

বেহাল দশা আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় আবাসন গুলোর,পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়।

রিপোর্টার: / ৩৭০ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

স্টাফরিপোর্টার মোঃশাহাবুদ্দিন ॥ কলাপাড়ায় আশ্রায়ণ প্রকল্পের, আওতায় আবাসন গুলোর আধিকাংশই বসবাসের অনুপযোগী, ভবন নির্মানের অভাবে ধ্বংসস্তুবে পরিনত,বেশির ভাগ আবাসন গুলো বন্যানিয়ন্ত্রণ বাধেঁর বাহিরে অবস্থান হওয়ায় অতিরিক্ত লবনাক্ত জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গিয়ে এবং ঘন ঘন জলচ্ছাস ও ঘূর্ণিঝড়ে আবাসন গুলোর ক্ষতির প্রধান কারণ। সরকার অসহায় মানুষ দের মাথাগোজার ঠাই করে দিলেও,বেশ কিছু আবাসন গুলোর দশ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে কাজের উৎস না থাকায় অনেকেই আবাসন গুলো ফেলে কাজের সন্ধানে পারি জমায় অন্যত্র।উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নে ছোট বড় মোট ৬ টি আবাসন রয়েছে,নীলগঞ্জ,ফতেপুর,পাখিমারা,হাজীপুর,হাকিমপুর ও সদরপুর আশ্রায়ণ কেন্দ্র। নীলগঞ্জ ও পাখিমারায় বেশ কিছু মানুষ বসবাস করে।হাজীপুর,হাকিমপুর ও সদরপুরের আশ্রায়ণ কেন্দ্র গুলো বসবাসের অনুপযোগী। এই সব আশ্রায়ণ কেন্দ্র গুলোতে ২৮০ জন নিরন্ন মানুষ দের মাথা গোজার কথা থাকলেও অধিকাংশই নানা কারনে বসবাস করছেন না। নীলগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড.নাসির উদ্দিন মাহমুদ জানান, বেড়িবাধের বাহিরে আশ্রায়ণ গুলো করায় লবনাক্ত জোয়ারের পানিতে ডুবে গিয়ে ক্ষতি গ্রস্থ হয়। এবং বেশ কিছু পরিবার বসবাস করতে পারছে না। মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নে আবাসন রয়েছে ছোট বড় ৫ টি মেলাপাড়া,চরপাড়া,সাফাখালী,গোলবুনিয়া ও ইসলামপুর আশ্রায়ণ কেন্দ্র। এ গুলোতে ১৩০ পরিবার বসবাস করার কথা রয়েছে। নানা কারনে ও বসবাসের অনুপযোগী হয়ে অনেকেই আশ্রায়ণ গুলো ছেড়েছেন। এ রকম টিয়াখালী,ধুলাসার,বালিয়াতলী,মহিপুর,লতাচাপলি,চম্পাপুর, ধানখালী, লালুয়া, চাকামইয়া ও ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন সমুহে প্রায় দেড় হাজার পরিবারের বসবাসের জন্য সরকার আবাসন গুলো গড়ে তুলেন। বসবাসের অনুপযোগী হয়ে অর্ধেক পরিবারই থাকছেন না আবাসন গুলোতে। চুরি হয়ে গেছে অনেক আশ্রায়ণ কেন্দ্রের ঘড়ের টিন ও মূল্যবান জিনিস পত্র।এ ব্যাপারে কথা হয় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক এর সাথে, তিনি জানান, আবাসন গুলোর অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্থ অবস্থায় রয়েছে বলে জানান তিনি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ