• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু

সমুদ্র উপকূলীয় কলাপাড়ায় ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২০৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

মো.নাহিদুল হক,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।।

সমুদ্র উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রতিনিয়ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েই চলছে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশার ঘনত্বে বেলা বাড়লেও দেখা মিলছেনা সূর্যের। শুক্রবার সকাল নয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১২.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ। অনেকেই খড় কুটা জালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এদিকে প্রচন্ত ঠান্ডায় বেলা বাড়লেও মিলছেনা শহর ও গ্রামা লের বাজারগুলো। হাসপাতালেও বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা।
জানা গেছে, ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে সর্দি, কাশি ও হাপানিজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের। তবে ডিসেম্বর মাসজুড়ে শীত আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পৌর শহরের অটোরিকশাচালক সোবাহান বলেন, গত দুই দিন ধরে শীত পড়ছে। সকালে এবং রাতে রিকশা চালালেই শীতে কাঁপনি ওঠে। তারপরও পেটের টানে চালাতে হয়। কিন্তু সকালে ও রাতে যাত্রী অনেকটা কম থাকে। ভ্যানচালক বাবুল বলেন, যেমন কুয়াশা তেমনি শীত পড়ছে। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। কাজ না করলে সংসার চলবে কেমনে। বৃদ্ধা ফজিলাতুন নেছার ভাষ্য, ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ঢুকে, ২-৩ ডা কাঁথা-কম্বল গায় দিয়েও শীত মানানো যাচ্ছে না।
এদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক বারেক মুন্সি বলেন, তীব্র শীতে হাত-পা জমে যাওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে মাঠে থাকাটাও কষ্টকর।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী সংবাদিকদের জানান, ঘন কুয়াশা এবং শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এই মাসজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে শীত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ