• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব: ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ…. বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত, দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, আইনের ভিত্তিতেই বিচার হবে: শামা ওবায়েদ গুমের শিকার পরিবারকে সহায়তার দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ফখরুলের তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সীমা নির্ধারণে আহ্বান তথ্যমন্ত্রী স্বপনের ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবি, নিহত অন্তত ৮০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার কলাপাড়ায় গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১

জুলাইয়ে ২৫৫ নারী নির্যাতনের শিকার!/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ১৫৪ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪

আমাদের দেশ বিভিন্ন দিক দিয়ে এগিয়ে গেলেও কিছু কিছু গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবনতির দিকেই হাঁটছে। দেশ এবং জাতির উন্নয়নের নারীর ভূমিকা অপরিসীম অথচ এই নারীকেই প্রতিনিয়ত ধর্ষণের শিকার হতে হচ্ছে। বিষয়টি সমাজে বিশৃঙ্খলার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ দেশে নারী পুরুষ সমান অধিকার থাকা সত্ত্বেও নারী কেনো প্রতিনিয়ত ধর্ষণের সম্মুখীন হবে? সম্প্রতি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ একটি বিবৃতিতে জুলাই মাসের তথ্য তুলে দরা হয়েছে। বিবৃতির তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে জুলাই মাসে ২৫৫ জন নারী ও কন্যা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৩১ জন নারী ১২৪ জন কন্যা রয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪৮ কন্যাসহ ৬৪ জন। তার মধ্যে সাত কন্যাসহ ১৩ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। দুই কন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে দুই কন্যা। এ ছাড়াও ১৩ কন্যাসহ ২০ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন ১৫ কন্যাসহ ১৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছেন চার কন্যা। নারী ও কন্যা পাঁচারের ঘটনার শিকার হয়েছে একজন। দুজন এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছেন, এর মধ্যে একজনের অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন কারণে ১ কন্যাসহ ৪২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৩ জন, এর মধ্যে ৯ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে দুই কন্যাসহ ৯ জন। পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে দুটি। এক গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও সাত কন্যাসহ ২২ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৭ কন্যাসহ ১৮ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে তিনজন আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার হয়েছে। চার কন্যাসহ ছয়জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে ৩টি এবং বাল্যবিয়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে ৯টি। এক কন্যাসহ দুজন সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ কন্যাসহ ১৩ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমরা মনে করি বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সমস্যা গুলো মধ্যে নারী ধর্ষণ এবং নারীর অধিকার হরণটা অন্যতম। তাই দেশে নির্মাণে উন্নয়ন না করে আগে দেশের মানুষদের অধিকার ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। মানুষ যেন স্বাধীন ভাবে বাঁচতে পারে, সকল জায়গায় সকলের অধিকার যেন নিরপেক্ষ হয় এমন ব্যবস্থা আগে করতে হবে সরকারকে। এছাড়াও যারা ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি সমাজে ধর্ষণ রোধে সচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারণা করার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দেশ পরিচালনা কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে দেশকে উন্নয়নশীল করার আগে দেশ থেকে ধর্ষণ নামের শব্দটা নির্মূল করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ