• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে বিএফইউজে-ডিইউজের শোক, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রথম জানাজা কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো’ ছয় মাসে পাঁচ অঞ্চলে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জোর প্রস্তুতি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের একনেকেই পাস হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, তিস্তাপারের মানুষের আর কোনো চিন্তা নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন শঙ্কা জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান

বন্ধ হচ্ছে না মাদক, সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

মোঃ আল আমিন খান / ২৩২ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪

বাংলাদেশেরও মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি রয়েছে। অতীতে অনেকবার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছে না। মাদকের বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না। উল্টো দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাদকসেবীর সংখ্যা। বেসরকারি সংস্থা মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধের (মানস) হিসাব মতে, দেশে বর্তমানে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। সেই হিসাবে দেশের প্রায় ১৭ কোটি ১৫ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে গড়ে প্রতি ১২ জনে (১১.৬৭) একজন মাদকসেবী। শতকরা হিসাবে মোট জনংসংখ্যার ৮.৭৫ শতাংশ মাদকসেবী। মাদকের বিস্তার নিয়ে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে খবর থাকছে। বিশিষ্টজনদের মতামত, আলোচনা ও পরামর্শ থাকছে। কিন্তু কিছুতেই মাদকের বিষাক্ত ছোবল থামানো যাচ্ছে না। মাদক শুধু মাদকেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। মাদককে মনে করা হয় সব অপরাধের সূতিকাগার। প্রকৃত অর্থেই তা-ই হচ্ছে। মাদকের বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অন্যান্য অপরাধও। মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা কারণে বাড়ছে খুনাখুনি। মাদকের অর্থ সংগ্রহের জন্য কিশোর-তরুণরা চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। খুন, ধর্ষণ, পারিবারিক কলহ থেকে শুরু করে আরো অনেক সামাজিক অশান্তির কারণও এই মাদকাসক্তি। আবার সুযোগসন্ধানীরা সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে মাদকাসক্তদের দিয়ে নানা অপরাধ করিয়ে নিচ্ছে। এখন শুধু শহরে নয়, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও মাদকাসক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভয়ংকর প্রবণতা অবিলম্বে রোধ করা না গেলে দেশের তরুণসমাজ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আরো আশঙ্কার বিষয়, মাদকসেবীদের একটি বড় অংশ কিশোর ও নারী। গবেষণায় উঠে এসেছে, দিন দিন নারীদের মধ্যে মাদক সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাদক বিস্তারের প্রধান কারণ মাদকদ্রব্যের সহজপ্রাপ্যতা। প্রত্যন্ত গ্রামের কিশোরটিও এখন হাত বাড়ালেই মাদক পেয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে নানা পথে নানা কৌশলে ঢুকছে নানা ধরনের মাদ্রকদ্রব্য। যাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করার কথা তারাও নানাভাবে জড়িয়ে পড়ছে মাদক কারবারের সঙ্গে। গণমাধ্যমে দেখা যায়, অনেক স্থানে মাদকের হাট বসে। নিয়ন্ত্রকরা সেখান থেকে বখরা নেয়। তা ছাড়া বর্তমানে আর আগের মতো সরাসরি মাদক ক্রয় করতে হয় না। অনলাইনের বিভিন্ন অ্যাপস ও ডেলিভারিতে মাদক সংগ্রহ করা যাচ্ছে। মাদকের হোম ডেলিভারিও ক্রমে বাড়ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশের প্রতিটি জেলা, থানা এমনকি গ্রামে পর্যন্ত মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সামাজিক প্রতিরোধ করে তোলা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ