• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বন্ধ হচ্ছে না মাদক, সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

মোঃ আল আমিন খান / ২৬৯ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪

বাংলাদেশেরও মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি রয়েছে। অতীতে অনেকবার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছে না। মাদকের বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না। উল্টো দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাদকসেবীর সংখ্যা। বেসরকারি সংস্থা মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধের (মানস) হিসাব মতে, দেশে বর্তমানে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। সেই হিসাবে দেশের প্রায় ১৭ কোটি ১৫ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে গড়ে প্রতি ১২ জনে (১১.৬৭) একজন মাদকসেবী। শতকরা হিসাবে মোট জনংসংখ্যার ৮.৭৫ শতাংশ মাদকসেবী। মাদকের বিস্তার নিয়ে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে খবর থাকছে। বিশিষ্টজনদের মতামত, আলোচনা ও পরামর্শ থাকছে। কিন্তু কিছুতেই মাদকের বিষাক্ত ছোবল থামানো যাচ্ছে না। মাদক শুধু মাদকেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। মাদককে মনে করা হয় সব অপরাধের সূতিকাগার। প্রকৃত অর্থেই তা-ই হচ্ছে। মাদকের বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অন্যান্য অপরাধও। মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা কারণে বাড়ছে খুনাখুনি। মাদকের অর্থ সংগ্রহের জন্য কিশোর-তরুণরা চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। খুন, ধর্ষণ, পারিবারিক কলহ থেকে শুরু করে আরো অনেক সামাজিক অশান্তির কারণও এই মাদকাসক্তি। আবার সুযোগসন্ধানীরা সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে মাদকাসক্তদের দিয়ে নানা অপরাধ করিয়ে নিচ্ছে। এখন শুধু শহরে নয়, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও মাদকাসক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভয়ংকর প্রবণতা অবিলম্বে রোধ করা না গেলে দেশের তরুণসমাজ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আরো আশঙ্কার বিষয়, মাদকসেবীদের একটি বড় অংশ কিশোর ও নারী। গবেষণায় উঠে এসেছে, দিন দিন নারীদের মধ্যে মাদক সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাদক বিস্তারের প্রধান কারণ মাদকদ্রব্যের সহজপ্রাপ্যতা। প্রত্যন্ত গ্রামের কিশোরটিও এখন হাত বাড়ালেই মাদক পেয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে নানা পথে নানা কৌশলে ঢুকছে নানা ধরনের মাদ্রকদ্রব্য। যাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করার কথা তারাও নানাভাবে জড়িয়ে পড়ছে মাদক কারবারের সঙ্গে। গণমাধ্যমে দেখা যায়, অনেক স্থানে মাদকের হাট বসে। নিয়ন্ত্রকরা সেখান থেকে বখরা নেয়। তা ছাড়া বর্তমানে আর আগের মতো সরাসরি মাদক ক্রয় করতে হয় না। অনলাইনের বিভিন্ন অ্যাপস ও ডেলিভারিতে মাদক সংগ্রহ করা যাচ্ছে। মাদকের হোম ডেলিভারিও ক্রমে বাড়ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশের প্রতিটি জেলা, থানা এমনকি গ্রামে পর্যন্ত মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সামাজিক প্রতিরোধ করে তোলা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ