• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-৮ এ ধানের শীষের জয়: ৫ হাজার ৬৯৬ ভোটে এগিয়ে মির্জা আব্বাস,,,, ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি: ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ এনসিপির,,,, শান্তিপূর্ণ ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,, ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র, অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা,,, ভয় নয়, সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান—১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে ব্যালট: প্রধান উপদেষ্টা,,, কলাপাড়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জমজমাট বিতর্ক,,, কলাপাড়ায় গোলগাছের রসে তৈরি ভিন্নস্বাদের গুড়, বাড়তি আয়ের নতুন সম্ভাবনা,,, গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,,

জেলেদের জালে ধরা পড়লো বিড়ল প্রজাতির মাছ বঙ্গোপসাগরে।

রিপোর্টার: / ৩৭০ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

মনির হাওলাদার মহিপুর প্রতিনিধিঃকুয়াকাটা সংলগ্ন দক্ষিন বঙ্গোপসাগরে একটি বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে জেলেদের জালে। স্থানীয় জেলেরা বলছে মাছটির নাম ” টিয়া ” মাছ ।স্থানীয় মনির মাঝি নামের এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে। বিরল প্রজাতির এ ‘টিয়া মাছ’ দেখার জন্য মহিপুর মৎস্য বন্দরের তিমুন আড়তে ভিড় করেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ । পরে মাছটি মৎস্য ব্যবসায়ী ও কলাপাড়া পৌর শহর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুমকে উপহার দেন ওই জেলে।জেলেরা জানিয়েছেন, মাছটির নাম টিয়া মাছ। এ ধরনের মাছ সমুদ্রে খুব একটা দেখা যায় না। এই মাছের মুখের দিকটা গোল। দেখতে টিয়া পাখির মতো। এর ওজন মাত্র দুই কেজি এবং আঁশ খুব মোটা।জানা যায়, গত বুধবার সকালে রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়া ইউনিয়নের এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে।ট্রলারের জেলে মনির মাঝি বলেন, সাগরে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জাল ফেলি। জাল উঠিয়ে দেখি ইলিশ মাছের সঙ্গে উঠেছে এই টিয়া মাছটি । পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দরের তিমুন আড়তে গেলে আড়তের মালিক মাছটি কিনতে চান। আমরা সবসময় এই আড়তেই মাছ বিক্রি করি। এ কারণে আমি আড়তের মালিকের কাছ থেকে মাছটির জন্য কোনো টাকা নেইনি। তাকে উপহার হিসেবে দিয়েছি মাছটি।তিমুন মৎস্য আড়তের মালিক দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুম বলেন, ‘বিরল প্রজাতির মাছটি জেলে মনির আমাকে উপহার দেন। মাছটি খাওয়ার জন্য কলাপাড়ার বাসায় নিয়ে যাই।বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদফতরের সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিরল প্রজাতির এ মাছ ভারত মহাসাগরে বেশি পাওয়া যায়। সাগরে পাথরের আবরণ থেকে শ্যাওলা খেতে অভ্যস্ত এই প্রজাতির মাছ। শ্যাওলার সঙ্গে থাকা ক্যালসিয়াম খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করায় এর আঁশ খুব মজবুত ও পুরু হয়। এই মাছ সাধারণত ১২ থেকে ২০ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের হয়। তবে এক মিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের টিয়া মাছও পাওয়া যায়। এদের দেহে নীল ডোরা কাটা দাগ ও লেজের মাঝখানে উজ্জ্বল সোনালি-হলুদ রঙ, দেখা যায় বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ