• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ কোটি নয়, ৩০০ মিলিয়ন ডলারে চট্টগ্রামে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবের পরিকল্পনা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়তে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বিচারক আরিফুল সাময়িক বরখাস্ত পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বের বাইরে গিয়েও কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অগ্রাধিকারেই সংস্কার, উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তার আশ্বাস কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরের তাগিদ রাষ্ট্রপতির, গুরুত্ব সংরক্ষণ ও গবেষণায় কালিগঞ্জের মথুরেশপুর জামায়াতের অফিস উদ্বোধন বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ দেশের চার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা তিন সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

জেলেদের জালে ধরা পড়লো বিড়ল প্রজাতির মাছ বঙ্গোপসাগরে।

রিপোর্টার: / ৪১৩ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

মনির হাওলাদার মহিপুর প্রতিনিধিঃকুয়াকাটা সংলগ্ন দক্ষিন বঙ্গোপসাগরে একটি বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে জেলেদের জালে। স্থানীয় জেলেরা বলছে মাছটির নাম ” টিয়া ” মাছ ।স্থানীয় মনির মাঝি নামের এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে। বিরল প্রজাতির এ ‘টিয়া মাছ’ দেখার জন্য মহিপুর মৎস্য বন্দরের তিমুন আড়তে ভিড় করেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ । পরে মাছটি মৎস্য ব্যবসায়ী ও কলাপাড়া পৌর শহর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুমকে উপহার দেন ওই জেলে।জেলেরা জানিয়েছেন, মাছটির নাম টিয়া মাছ। এ ধরনের মাছ সমুদ্রে খুব একটা দেখা যায় না। এই মাছের মুখের দিকটা গোল। দেখতে টিয়া পাখির মতো। এর ওজন মাত্র দুই কেজি এবং আঁশ খুব মোটা।জানা যায়, গত বুধবার সকালে রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়া ইউনিয়নের এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে।ট্রলারের জেলে মনির মাঝি বলেন, সাগরে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জাল ফেলি। জাল উঠিয়ে দেখি ইলিশ মাছের সঙ্গে উঠেছে এই টিয়া মাছটি । পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দরের তিমুন আড়তে গেলে আড়তের মালিক মাছটি কিনতে চান। আমরা সবসময় এই আড়তেই মাছ বিক্রি করি। এ কারণে আমি আড়তের মালিকের কাছ থেকে মাছটির জন্য কোনো টাকা নেইনি। তাকে উপহার হিসেবে দিয়েছি মাছটি।তিমুন মৎস্য আড়তের মালিক দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুম বলেন, ‘বিরল প্রজাতির মাছটি জেলে মনির আমাকে উপহার দেন। মাছটি খাওয়ার জন্য কলাপাড়ার বাসায় নিয়ে যাই।বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদফতরের সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিরল প্রজাতির এ মাছ ভারত মহাসাগরে বেশি পাওয়া যায়। সাগরে পাথরের আবরণ থেকে শ্যাওলা খেতে অভ্যস্ত এই প্রজাতির মাছ। শ্যাওলার সঙ্গে থাকা ক্যালসিয়াম খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করায় এর আঁশ খুব মজবুত ও পুরু হয়। এই মাছ সাধারণত ১২ থেকে ২০ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের হয়। তবে এক মিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের টিয়া মাছও পাওয়া যায়। এদের দেহে নীল ডোরা কাটা দাগ ও লেজের মাঝখানে উজ্জ্বল সোনালি-হলুদ রঙ, দেখা যায় বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ