• বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,, ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র, অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা,,, ভয় নয়, সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান—১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে ব্যালট: প্রধান উপদেষ্টা,,, কলাপাড়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জমজমাট বিতর্ক,,, কলাপাড়ায় গোলগাছের রসে তৈরি ভিন্নস্বাদের গুড়, বাড়তি আয়ের নতুন সম্ভাবনা,,, গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,, বিএনপিতে যোগ দিলেন মুফতি হাবিবসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে ধানের শীষে পূর্ণ সমর্থন রবিউলের,,,, কলাপাড়ায় গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযান, বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ যুবক আটক,,,, খালেদা জিয়ার ওসিয়ত রক্ষার আহ্বান এবিএম মোশাররফের, কলাপাড়ায় ধানের শীষে ভোট চাইলেন,,,

এক কাপর ব্যাবসায়ীর কাছ থেকে বালিশ বানালেন ওসি” আনতে গিয়ে পুলিশের সাথে খারাপ আচরণ ব‍্যবসায়ীর বরগুনায়।

রিপোর্টার: / ৩৪২ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০

বরগুনা প্রতিনিধিঃ
বরগুনায় বালিশ বানানো কে কেন্দ্র করে সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালান একটি চক্র। জানা যায় গত বৃহস্পতিবার একটা বিছানার চাদরে ৩ গজ , ৪ টা বালিশের কভারে আধা গজ করে ২ গজ,মোট ৫ গজ কাপরের মজুরী সহ ১৫৮০ টাকা পরিষদ করে দোকানীর কাছ থেকে থেকে নিয়া যায়। আর একটি বালিশের কভার প্রয়োজন হলে টাকা দিয়া আধা গজ কাপড়ে একটা কভার বানানোর জন্য একজন পুলিশ সদস্যকে পাঠিয়েছিলেন ওসি। ঐ পুলিশ সদস‍্যকে গ্রামীন বস্ত্রালয়ের মালিক নজরুল উত্তেজিত হয়ে বলেন খুচরা-মচরা বিক্রি করি না, ওসি পাঠাইছে তাতে কি হইছে। এই বলে তিনি পুলিশকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করেন। ঘটনা শুনে ওসি নিজে বিষয়টি জানতে আসলে তার সাথেও খারাপ আচরন করেন ব‍্যবসায়ী নজরুল। এ বিষয় নিয়া কথার কাটাকাটি হয়। মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনা শহরের
বঙ্গবন্ধু সড়কের কাপড় পট্টিতে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রামীণ বস্ত্রালয়ের মালিক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার বরগুনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলাম আমার দোকানে এসে একটি বিছানার চাদর ও চারটি বালিশের কভারের জন্য কাপড় কেনেন। পরে দোকনেরই দর্জি সেলিম খানের কাছে চাদর ও বালিশের কভার তৈরি করতে দিয়ে যান। রোববার একজন পুলিশ এসে বিছানার চাদর ও চারটি বালিশের কভার নিয়ে যান।
ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে আবারও একজন পুলিশ দোকানে এসে আরেকটি বালিশের কভার তৈরির জন্য আধা গজ কাপড় দিতে বলেন। আধা গজ কাপড়ে একটি বালিশের কভার তৈরি করা যায় না। তাই আমি কাপড় বিক্রি করি নাই। বাহির থেকে কিনতে বলি।
কিছু না বলে ওই পুলিশ সদস্য দোকান থেকে চলে যান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, আমি জানতে পেরেছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন সময় খারাপ মন্তব্য করে আসছিলেন নজরুল নামের ঐ ব‍্যক্তি। এখন  আমি নিজেই ভুক্তভোগী। তারপরেও কাপড়ের দোকানি পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করেছে শুনে আমি গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে দোকানদার নজরুল আমাকে খারাপ  আচরণ করে, আমার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে আসলে তাদের সাথে গালাগালি করে তখন  বিষয়টি আমি চেম্বার অব  কমার্সের সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ  সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর কবিরকে জানালে তিনি আমাকে সুষ্ঠ সমাধানের আশ্বাস্ত করেন বলে জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ