• শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ধানের শীষে ভোটেই জনগণের ভাগ্য বদলাবে: মৌলভীবাজারে তারেক রহমান,, কলাপাড়ায় সাংবাদিকদের সাথে ১০ দলীয় জোট প্রার্থীর মতবিনিময় সভা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের নতুন প্রভোস্ট ড. জনি আলম,, মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত,, ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিমের গনজোয়ার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় কুয়াকাটায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। ৪৯নওগাঁ-৪(মান্দা)আসনে সমবায় দলের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটি গঠণ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। নির্বাচন আর মাত্র তিন সপ্তাহ: আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা কালিগঞ্জের মিনাজকাটিতে শওকত আলীর কবর জিয়ারত করলেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার,,,

মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১১০ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

হাবিবুর রহমান,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় হাজিরহাট হামিদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি বই বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। তবে বই বিক্রির ঘটনাটি প্রথমে অস্বীকার করলেও ঘটনাটি জানাজানি হলে তিনি শুনেছেন বলে স্বীকার করেন।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনার কিছু ফুটেজ স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে আসে। ফুটেজে দেখা যায়, মাদ্রাসার বড় ভবনের গেইটের সামনে ট্রাক দাড়ানো। মাদ্রাসা থেকে ট্রাকের ওপর বই ওঠানো হচ্ছে।
এর আগে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঈদে মিলাদুন নবী উপলক্ষে মাদ্রাসায় সরকারি ছুটি চলাকালে ট্রাকে করে বই বিক্রি করেন অধ্যক্ষ।
এছাড়াও অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মাও, দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারিতা, আর্থিক অনিয়ম ও শিক্ষক-কর্মচারীদের হয়রানির অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

তবে দিনে-দুপুরে উপজেলার খ্যাতিমান একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এভাবে সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির ঘটনা সামনে আসায় উপজেলা জুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ।
সরকারের দেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যের বই বিক্রির ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল।

জানা যায়, অতিরিক্ত চাহিদা দিয়ে বই এনে প্রতিষ্ঠানের স্টোর রুমে মওজুদ করে রাখেন অধ্যক্ষ মাও দেলোয়ার। পরে সুবিধাজনক সময়ে তার অনুগত মাদ্রাসার পিয়নকে দিয়ে কেজি দরে সেই বই বিক্রি করে দেন তিনি।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার পিয়ন আবদুর রহিমকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও,দেলোয়ার হোসেন বলেন,ছুটির দিন থাকায় আমি মাদ্রাসায় ছিলামনা তবে বই বিক্রির ঘটনাটি শুনেছি। বছরের শেষ সময়ে এখনো বই মওজুদ থাকা ও স্টোর রুমের চাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো: তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: রাহাত উজ জামান বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ