• বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঘুষ দাবির অডিও ফাঁস: প্রসিকিউশন টিমকে ‘জিরো টলারেন্স’ সতর্কবার্তা চিফ প্রসিকিউটরের জ্বালানি বা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই, গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর ঈদের আগে স্বস্তির বার্তা: ৩৭ হাজারের বেশি নারী পেলেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত….. মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব: ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ…. বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত, দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, আইনের ভিত্তিতেই বিচার হবে: শামা ওবায়েদ গুমের শিকার পরিবারকে সহায়তার দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ফখরুলের তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি

কুয়াকাটায় হোটেলের ময়লা পানি ও টাংকির বর্জ্যে অতিষ্ট পর্যটকসহ এলাকাবাসী,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ১৩১ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন পশ্চিম দিকে হোটেল সি-ভিউয়ের কারণে এখন অস্বস্তি দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মাঝে। হোটেলটি গভীর রাতে টয়লেটের টাংকির বর্জ্য ও ময়লা পানি পাইপের মাধ্যমে সরাসরি সমুদ্রে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ, ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
জানা গেছে, প্রতিদিন রাত আড়াইটার থেকে তিনটার মধ্যে হোটেলের পেছন দিক দিয়ে পাইপের মাধ্যমে এসব বর্জ্য সমুদ্রে ফেলা হয়। ময়লাগুলো টেউয়ের ধাক্কায় আবার বিচে উঠে আসে। সকালে সৈকত এলাকায় বাজে দুর্গন্ধে বিচে কোন পর্যটক নামতেই পারেনা। কাছের হোটেল ও বাসাবাড়িতে থাকাও কস্টসাধ্য হয়ে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের সাবেক এক কর্মচারী জানান, প্রতিনিয়ত এভাবেই বর্জ্য ফেলা হয় এবং আমি যখন ওখানে চাকরি করেছি তখন স্থানীয়দের সাথে তাকে বহুবার ঝামেলায় পড়তে হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নাসির উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন গভীর রাতে সমুদ্রে হোটেলের বাথরুমের টাংকির বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ভোরে সৈকতে গেলে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। পর্যটকরাও সাগরে গোসল করতে নামতে পারেনা।
একই অভিযোগ করেছেন পর্যটক রুমা আক্তার তিনি বলেন, এত দূর থেকে কুয়াকাটা এসেছি, কিন্তু সৈকতে গিয়ে দুর্গন্ধে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। এভাবে ময়লা ফেলা হলে পর্যটকদের আসার আগ্রহ কমে যাবে।
হোটেল ম্যানেজার মো. সোলায়মান বলেন, টয়লেটের বর্জ্য নয়, আমরা প্রতিদিন রাত আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে গোসলের পানি বিচের বালুতে ফেলি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট হোটেলের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ