• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তানভিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্পে ১,৫১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব মালিকদের নতুন তথ্য: আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে সংসদীয় চিঠির অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশন দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫৫ দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: এমপি নজরুল ও তার স্ত্রীর রিমান্ড ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবকে ‘ভূমিকম্প’ বললেন কাতারের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী নতুন তথ্য: পোকেমনের ৩০ বছর পূর্তিতে নতুন সাজে এএনএ

কুয়াকাটায় হোটেলের ময়লা পানি ও টাংকির বর্জ্যে অতিষ্ট পর্যটকসহ এলাকাবাসী,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ১৭৭ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন পশ্চিম দিকে হোটেল সি-ভিউয়ের কারণে এখন অস্বস্তি দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মাঝে। হোটেলটি গভীর রাতে টয়লেটের টাংকির বর্জ্য ও ময়লা পানি পাইপের মাধ্যমে সরাসরি সমুদ্রে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ, ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
জানা গেছে, প্রতিদিন রাত আড়াইটার থেকে তিনটার মধ্যে হোটেলের পেছন দিক দিয়ে পাইপের মাধ্যমে এসব বর্জ্য সমুদ্রে ফেলা হয়। ময়লাগুলো টেউয়ের ধাক্কায় আবার বিচে উঠে আসে। সকালে সৈকত এলাকায় বাজে দুর্গন্ধে বিচে কোন পর্যটক নামতেই পারেনা। কাছের হোটেল ও বাসাবাড়িতে থাকাও কস্টসাধ্য হয়ে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের সাবেক এক কর্মচারী জানান, প্রতিনিয়ত এভাবেই বর্জ্য ফেলা হয় এবং আমি যখন ওখানে চাকরি করেছি তখন স্থানীয়দের সাথে তাকে বহুবার ঝামেলায় পড়তে হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নাসির উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন গভীর রাতে সমুদ্রে হোটেলের বাথরুমের টাংকির বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ভোরে সৈকতে গেলে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। পর্যটকরাও সাগরে গোসল করতে নামতে পারেনা।
একই অভিযোগ করেছেন পর্যটক রুমা আক্তার তিনি বলেন, এত দূর থেকে কুয়াকাটা এসেছি, কিন্তু সৈকতে গিয়ে দুর্গন্ধে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। এভাবে ময়লা ফেলা হলে পর্যটকদের আসার আগ্রহ কমে যাবে।
হোটেল ম্যানেজার মো. সোলায়মান বলেন, টয়লেটের বর্জ্য নয়, আমরা প্রতিদিন রাত আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে গোসলের পানি বিচের বালুতে ফেলি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট হোটেলের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ