• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা

বাউফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অ্যাম্বুলেন্স চালকের যতো অনিয়ম, এখন অবহেলায় রোগীর মৃত্যু/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১৪১ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক রোগীর অভিযোগ রয়েছে। তিনি কারো কথা শুনেন না। নিজের খেয়ালখুশি মতো ডিউটি করেন। এমনকি ডাক্তারদের কথাও আমলে নেন না অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. শহিদুল ইসলাম। তার এমন অপেশাদার আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করছে রোগী ও স্বজনরা।

এদিকে ওই চালক মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে তার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা। এ ঘটনায় বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স চালককে ফোন করা হয় সকাল ৭:৩০ মিনিটে। কিন্তু তিনি ৯:৩৫ মিনিটে হাসপাতালে আসেন চালক। তার এই অবহেলার কারণেই বাউফল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বিলবিলাস গ্রামের মৃত আবদুর রশিদের ছেলে মো. সানু (৫০) মারা গেছেন।

সানুর চাচাতো ভাই মো. জাকির হোসেন বলেন, বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ছিল। আমরা ড্রাইভারকে এবাধিকবার কল করেছি। কিন্তু তিনি তা আমলে নেননি। হাসপাতালে মুমুর্ষ রোগী নিয়ে আমরা দুই ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করেছি। ড্রাইভারের অবহেলায় ক্রিটিকাল রোগী নিয়ে সময়ক্ষেপনের কারণেই আমরা রোগীকে বাঁচাতে পারিনি। আমরা এই ঘটনার সঠিক তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করছি।

সানুর আপন বড়ো ভাই ফজলুর রহমান বলেন, সঠিক সময়ে অ্যাম্বুলেন্সের চালক আসলে আমার ভাইকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারতো। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার অবহেলা করেছে। সে আমাদের অনেকক্ষণ অযথা বসিয়ে রেখেছে। তার অবহেলার কারণেই আজ আমার ভাই দুনিয়াতে নেই। আমি বিচার চাই।

সানুর স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক বাসায়ই ছিল। কিন্তু আমাদের ৫ মিনিট বলে বলে কালক্ষেপন করে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখেন। আমি মনে করি আমার স্বামীকে সঠিক সময়ে বরিশাল হাসপাতালে নিতে পারলে বাচাঁতে পারতাম। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।

অভিযোগ অস্বীকার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি অসুস্থ। আমি তাদেরকে বলেছি আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে আসতেছি। আমি ১ ঘণ্টার মধ্যেই এসেছি। রাত নাই দিন নাই আমি সব সময় ডিউটি করি। দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ দিলে আমি শাস্তি মেনে নিব।

এবিষয়ে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা: ডা. আবদুর রউফ বলেন, রোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ