• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক ও বাহিনীগত ব্যর্থতার দায় নির্ধারণে কমিশনের বিস্ফোরক প্রতিবেদন,,,

রিপোর্টার: / ১৪১ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক ও বাহিনীগত ব্যর্থতার দায় নির্ধারণে কমিশনের বিস্ফোরক প্রতিবেদন

ঢাকা, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ (দৈনিক ক্রাইম বাংলা): বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশন প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিবেদনের খসড়া পেশ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিনের অন্ধকার কাটিয়ে এ প্রতিবেদন জাতিকে বহু প্রশ্নের উত্তর দেবে। তিনি এটিকে “জাতির মূল্যবান সম্পদ” হিসেবে উল্লেখ করেন।

কমিশন প্রধান জানান, ১৬ বছর আগের ঘটনার বহু আলামত নষ্ট হয়ে গেলেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে শতাধিক সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। তার দাবি—বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তি যেমন সম্পৃক্ত ছিল, তেমনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতারও ‘শক্ত প্রমাণ’ শনাক্ত করা হয়েছে।

কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, ঘটনাটি ছিল “পরিকল্পিত” এবং এতে তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপসকে “প্রধান সমন্বয়কারী” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে—যা কমিশনের দাবি।

কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী অভিযুক্তদের রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন বলেও উল্লেখ রয়েছে প্রতিবেদনে। কমিশন আরও দাবি করেছে, ঘটনার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেকে সেনাপ্রধান পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ব্যর্থতা ছিল, পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থারও “চরম দুর্বলতা” চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাঠামোগত সংস্কার, বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং ভিকটিম পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে একাধিক সুপারিশ করা হয়েছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ এবং স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ