
মোঃ আবুল বাশার (ভোলা) প্রতিনিধি।
পরীক্ষিত জননেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি আলহাজ্ব মোঃ হাফিজ ইব্রাহিমের পক্ষে দৌলতখান-রোবহানউদ্দিনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি এরআগে ২০০১সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বোরহানউদ্দিন দৌলতখানে সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি তার সংসদীয় এলাকায় ব্যপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে আত্মনিবেদিত জননেতা আলহাজ্ব মোঃ হাফিজ ইব্রাহিমের সেই অবদান এলাকার আপামর জনগণ ভুলে যায়নি, তারই প্রমাণ এবারের ভোটের মাঠে দেখা যাচ্ছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান)
আসনে এবারের নির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী থাকলেও এবারে ভোটের মাঠে আলোচনায় রয়েছে বিএনপি ও এলডিপি। এ আসনে লড়বেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ হাফিজ ইব্রাহিম ও ১০দলীয় জোটের প্রার্থী তথা এলডিপি প্রার্থী মোকফার উদ্দিন মাহে আলম চৌধুরী এই দুজনের মধ্যে ব্যালট ভোটে লড়াই হতে পারে । গত ১৭ বছর এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত সবকয়টি জাতীয় নির্বাচনে অধিকাংশ ভোটার ভোট দিতে পারে নাই। ফলে সাধারণ ভোটাররা তাদের পছন্দ মত প্রার্থী বেছে নিতে পারেনি। ভোটের সমীকরণে এখনও যতই দিন যাচ্ছে সরগরম হয়ে উঠছে ভোলা-২ আসন। শক্ত অবস্থানে বিএনপির হেভিয়েট প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম। তারে নিয়ে সাধারন ভোটারদের আলোচনা ও স্থানীয় জনমতে ভোটের বিশ্লেষণে হিসাব নিকাশে সবাই তার উপর আস্থা রাখতে চায় সাধারণ ভোটাররা। মাঠ পর্যায়ে সংসদ সদস্য ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন। স্থানীয় বিএনপির নেতা কাজী শহিদুল ইসলাম নাসিম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের হামলা মামলা ও অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েও জনগণ ও নেতাকর্মীদের আগলিয়ে রেখেছেন আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম। নেতাকর্মীদের দুর্দিনে কারাঘরে বসেও নির্বাচনি এলাকার খোঁজ খবর রেখেছেন তিনি। ফ্যাসিবাদের হামলা মামলা আর অত্যাচারে নেতাকর্মীরা যখন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, তখনও তাদের পরিবারগুলোর খোঁজ খবর রেখেছেন তিনি। এলাকায় সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা, বোরহাউদ্দিন- দৌলতখান এ তার উন্নয়নের ভূমিকা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং অতীত অভিজ্ঞতার কারণে হাফিজ ইব্রাহিমের প্রতি ভোটারদের একটি শক্তিশালী সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলকভাবে বেশি।