• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি,,,

রিপোর্টার: / ১৯১ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি

ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (দৈনিক ক্রাইম বাংলা): মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।

শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকেও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

পরে তিন বাহিনীর প্রধানগণ, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের আবহে শহীদ মিনারে এসে ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ