• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

আইএমএফের চাপ: ব্যাংকিং খাত সংস্কারে সময়সীমাবদ্ধ রোডম্যাপ চায় সংস্থাটি

রিপোর্টার: / ১১৮ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

আইএমএফের চাপ: ব্যাংকিং খাত সংস্কারে সময়সীমাবদ্ধ রোডম্যাপ চায় সংস্থাটি

সংবাদ:
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা, ঋণ ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত সংস্কারের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও সময়সীমাবদ্ধ রোডম্যাপ চেয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন-এর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল এ রোডম্যাপ লিখিত আকারে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানায়।

বৈঠকে দেশের আর্থিক খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রম, সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আইএমএফ বর্তমান অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও কাঠামোবদ্ধ ও সময়সীমা নির্ধারিত করার ওপর জোর দেয়।

সংস্থাটির মতে, একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা গেলে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে এবং ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

এছাড়া বৈঠকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং বিনিময় হারকে বাজারভিত্তিক করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক বলেও উল্লেখ করা হয়।

মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী এপ্রিলে অনুষ্ঠেয় বসন্তকালীন বৈঠকের পর নেওয়া হবে। এর আগে একটি রিভিউ মিশন বাংলাদেশ সফর করে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে।

উল্লেখ্য, আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৩৬৪ কোটি ডলার পাওয়া গেছে। বাকি রয়েছে ১৮৬ কোটি ডলার, যার পরবর্তী কিস্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত এখনও অপেক্ষমাণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ