• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে জামায়াত অবস্থান মেনে নিয়েছে: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী কতজন, জানালেন সংশ্লিষ্টরা একাত্তরের অবস্থান পরোক্ষভাবে মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী এআইয়ের অপব্যবহার রুখতে কঠোর আইন প্রণয়নের পথে সরকার আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৩, ভোটার ৩৫ হাজার রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কমলেও চড়া মাছ-মাংসের দর শাহজালাল বিমানবন্দরে কাতার প্রবাসীর শরীর থেকে ২ কোটি ৩২ রাজস্ব আয় ঘাটতিতে বিকল্প ঋণের উৎস খুঁজছে সরকার সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি, নথিতে রেকর্ড রাখার নির্দেশ

ফেরি নিরাপত্তায় বড় সিদ্ধান্ত: যাত্রী নামিয়েই বাস পারাপার, কঠোর নির্দেশ নৌমন্ত্রীর

রিপোর্টার: / ২১৬ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

ফেরি নিরাপত্তায় বড় সিদ্ধান্ত: যাত্রী নামিয়েই বাস পারাপার, কঠোর নির্দেশ নৌমন্ত্রীর

সংবাদ:
ফেরি পারাপারে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে কোনো বাস ফেরিতে তোলার আগে শতভাগ যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে—যাত্রীসহ বাস ওঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদী-তে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়। এ ঘটনার পর ফেরি পারাপারের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয় এবং সরকার কঠোর অবস্থানে যায়।

মন্ত্রী বলেন, “মানুষের জীবন রক্ষা করা আমাদের প্রথম দায়িত্ব। যাত্রীসহ বাস ফেরিতে দুর্ঘটনায় পড়লে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটে। তাই আগে যাত্রী নামিয়ে খালি বাস ফেরিতে তোলার নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।”

নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ফেরিগুলোতে রেলিং স্থাপন বাধ্যতামূলক করার কথাও জানান তিনি। এতে যানবাহন ওঠানামা বা ঢেউয়ের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, দৌলতদিয়া ঘাটের সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উদ্ধার কার্যক্রমে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-এর জাহাজ ‘হামজা’, ডুবুরি দল, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও নৌপুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হলে ফেরিঘাটে শৃঙ্খলা বাড়বে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ