• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজস্ব আয় ঘাটতিতে বিকল্প ঋণের উৎস খুঁজছে সরকার সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি, নথিতে রেকর্ড রাখার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারালেই ছাড়তে হবে দেশ, নতুন প্রস্তাব সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের ওমানে অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিশেষ সুযোগ পাইপলাইনে ভারত থেকে ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল এল পার্বতীপুরে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সময়সীমা মানার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডাকসুর বছরপূর্তিতে খতিয়ান প্রকাশ: ছারপোকা দমনে ব্যয় ৩২ লাখ নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রতীক তালিকা: যুক্ত হলো ‘না’ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি

সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি, নথিতে রেকর্ড রাখার নির্দেশ

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির বা প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা বন্ধে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে এ ধরনের তদবিরের ঘটনা ঘটলে তা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সার্ভিস বুক বা ব্যক্তিগত নথিতে (ডোসিয়ার) স্থায়ীভাবে রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। একই সাথে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনাপত্র দেশের সব সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত বা চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ বা তদবির করার প্রবণতা সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর ২০ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়াও এটি ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) ধারা অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।

চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো কর্মচারী যদি তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তিকে দিয়ে দাপ্তরিক কাজে তদবির করান, তবে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুযায়ী যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তদবিরের বিস্তারিত বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্মীর নথিতে আজীবনের জন্য লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

তবে এই নির্দেশনার অর্থ এই নয় যে একজন কর্মচারী তার যৌক্তিক দাবি জানাতে পারবেন না। সরকারি কর্মচারী তার চাকরি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কাছে নিয়ম মেনে আবেদন করতে পারবেন। এ ধরনের আবেদনের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতাও চিঠিতে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। পরিশেষে, নিজ নিজ দপ্তরের অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা ও সংস্থাকে এই নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ