
আজ শুরু ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি, টাঙ্গাইল থেকে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
সংবাদ:
নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দেশের ১০টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। এর আগে সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলে পৌঁছে সন্তোষে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করার কথা রয়েছে তার।
পরে দুপুর সোয়া ১২টায় পৌর উদ্যানে কৃষিমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
কৃষকদের সরাসরি ক্ষমতায়ন এবং কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৫০০ কৃষকের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, তিন ধাপে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে—প্রাক-পাইলটিং, পাইলটিং এবং দেশব্যাপী সম্প্রসারণ। প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি, দুগ্ধ খামারি এবং লবণচাষিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এটি মূলত একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড, যার মাধ্যমে কৃষকদের জন্য ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। কার্ডধারীরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ, ভর্তুকি, কৃষি প্রশিক্ষণ, আবহাওয়ার তথ্যসহ মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।
এছাড়া ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বছরে আড়াই হাজার টাকা নগদ সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ ও একটি সমন্বিত কৃষি তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে।