• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩: দেশজুড়ে উৎসব, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা

রিপোর্টার: / ১০৮ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩: দেশজুড়ে উৎসব, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা

সংবাদ:
আজ মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিন। ভোরের নতুন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় নতুন বছরের আনুষ্ঠানিক বর্ষবরণ। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে সারা দেশে নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি।

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। শুভ নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারি ছুটির দিন হিসেবে এদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি রমনা বটমূলে ছায়ানটের ভোরের সাংস্কৃতিক আসরে শুরু হয় নববর্ষের প্রথম প্রহর।

নববর্ষের অনুষ্ঠান ঐতিহ্য অনুযায়ী জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস কৃষিভিত্তিক সমাজ ও মুঘল সম্রাট আকবরের সময়কার রাজস্ব ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ১৫৫৬ সালে প্রবর্তিত এই সন প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, যা পরবর্তীতে বঙ্গাব্দ হিসেবে পরিচিতি পায়।

হালখাতা ছিল একসময় নববর্ষের অন্যতম প্রধান আয়োজন, যেখানে ব্যবসায়ীরা পুরোনো হিসাব শেষ করে নতুন খাতা খুলতেন এবং ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ করাতেন। এখনো গ্রামগঞ্জে কিছু জায়গায় এই ঐতিহ্য টিকে আছে।

স্বাধীনতার পর থেকে পহেলা বৈশাখ ধীরে ধীরে জাতীয় ও নাগরিক উৎসবে রূপ নেয়। বিশেষ করে ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতীক হয়ে ওঠে। ২০১৬ সালে ইউনেসকো এই শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে।

আজকের পহেলা বৈশাখ শুধু উৎসব নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক শক্তিশালী প্রতিফলন হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ