• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

টাঙ্গাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন, ২২ হাজার কৃষক পেল ডিজিটাল সুবিধা

রিপোর্টার: / ১১৮ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

টাঙ্গাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন, ২২ হাজার কৃষক পেল ডিজিটাল সুবিধা

সংবাদ:
পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে দেশের কৃষি খাতে নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষকের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হলো।

মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইলে আয়োজিত এক বিশাল জনসভা থেকে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, একটি সুইচ টিপলেই দেশের প্রায় ২২ হাজার কৃষকের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে যাবে—এটি একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। পরে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, প্রথম ধাপে নির্বাচিত কৃষকদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং লবণচাষিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, তিন ধাপে—প্রাক-পাইলটিং, পাইলটিং ও দেশব্যাপী সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এটি একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড, যা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের নামে চালু করা হয়েছে।

কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, ভর্তুকি, কৃষি প্রশিক্ষণ, আবহাওয়ার তথ্য, কৃষি বিমা এবং কৃষিপণ্য বিপণনসহ মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।

এছাড়া নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের বছরে আড়াই হাজার টাকা নগদ সহায়তাও দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ দেশের কৃষি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ