• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ,,,,, কুমিল্লা বিভাগ দাবিতে ইতিবাচক প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েরও আশ্বাস অর্থনীতি এখনো চাপে, পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে লাগতে পারে আরও দুই বছর: অর্থমন্ত্রী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার পাঁচ খুন মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার মরদেহ রাজশাহীর সমাবেশে বিএনপিকে নিয়ে কড়া মন্তব্য জামায়াত আমিরের, উত্তপ্ত রাজনৈতিক মাঠ করব কাজ, গড়ব দেশ”—খাল পুনঃখনন উদ্বোধনে উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর RAOP নির্বাচনে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত ই এম এস সাগর, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার ২০২৭ থেকে বদলে যাচ্ছে পাঠ্যবই, যুক্ত হবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও এআই শিক্ষা ২২ বছর পর চাঁদপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জনসভা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, এক ভরিতে কমেছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

মেট্রোরেল আইনে কঠোর শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা

রিপোর্টার: / ৩৪ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

 মেট্রোরেল আইনে কঠোর শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা

দেশের আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢাকা মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য প্রণীত মেট্রোরেল আইন-২০১৫-এ যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা এবং শাস্তির বিষয়ে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলে জেল-জরিমানার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তাও রয়েছে।

আইন অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী জেলায় এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলাতেও বাস্তবায়ন করা হবে।

মেট্রোরেল আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ যাত্রীভাড়া নির্ধারণ করবে। ১৯ ধারায় উল্লেখ আছে, ভাড়ার তালিকা ওয়েবসাইট, জাতীয় পত্রিকা, স্টেশন ও কোচে দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করতে হবে এবং নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না।

২০ ধারায় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণের নির্দেশনা রয়েছে।

দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আইনের ২৫ ধারায় ক্ষতিপূরণের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো যাত্রী আহত বা নিহত হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ২৬ ধারায় আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

আইনের ২৮ ও ২৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে তা প্রদান করতে হবে।

আইনের ৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, যাত্রী ও তৃতীয় পক্ষের বীমা না করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ কোটি টাকা জরিমানা হতে পারে। ৩৫ ধারায় যাত্রী নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

এছাড়া ৩৬ ধারায় টিকেট জাল বা অননুমোদিত বিক্রির জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪০ ধারায় বিনা টিকেটে ভ্রমণ বা ভাড়া ফাঁকি দিলে ভাড়ার ১০ গুণ পর্যন্ত জরিমানা এবং অনাদায়ে কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

৪৩ ও ৪৪ ধারায় অপরাধে সহায়তা, প্ররোচনা বা পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে আরও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া আইনের ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে, এসব অপরাধের তদন্ত ও বিচার ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং ৪৭ ধারায় নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচারযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে মেট্রোরেল ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ