• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, গণভবনে সংরক্ষিত থাকবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা, সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে মুখর সাতক্ষীরা, সম্পন্ন হলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা কলাপাড়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠল গ্রামবাসী বিদেশি বিনিয়োগে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর: ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার থাকবে পাশে’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা তুঙ্গে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল, ব্যবস্থা নিতে সিইসিকে চিঠি মানবসেবার অঙ্গীকারে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা রয়্যাল গ্রিনে নতুন নেতৃত্ব কলাপাড়ায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে মারধরের অভিযোগ, আহত মা-ছেলে হাসপাতালে

মেট্রোরেল আইনে কঠোর শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা

রিপোর্টার: / ৮৩ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

 মেট্রোরেল আইনে কঠোর শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা

দেশের আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢাকা মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য প্রণীত মেট্রোরেল আইন-২০১৫-এ যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা এবং শাস্তির বিষয়ে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলে জেল-জরিমানার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তাও রয়েছে।

আইন অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী জেলায় এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলাতেও বাস্তবায়ন করা হবে।

মেট্রোরেল আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ যাত্রীভাড়া নির্ধারণ করবে। ১৯ ধারায় উল্লেখ আছে, ভাড়ার তালিকা ওয়েবসাইট, জাতীয় পত্রিকা, স্টেশন ও কোচে দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করতে হবে এবং নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না।

২০ ধারায় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণের নির্দেশনা রয়েছে।

দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আইনের ২৫ ধারায় ক্ষতিপূরণের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো যাত্রী আহত বা নিহত হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ২৬ ধারায় আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

আইনের ২৮ ও ২৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে তা প্রদান করতে হবে।

আইনের ৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, যাত্রী ও তৃতীয় পক্ষের বীমা না করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ কোটি টাকা জরিমানা হতে পারে। ৩৫ ধারায় যাত্রী নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

এছাড়া ৩৬ ধারায় টিকেট জাল বা অননুমোদিত বিক্রির জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪০ ধারায় বিনা টিকেটে ভ্রমণ বা ভাড়া ফাঁকি দিলে ভাড়ার ১০ গুণ পর্যন্ত জরিমানা এবং অনাদায়ে কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

৪৩ ও ৪৪ ধারায় অপরাধে সহায়তা, প্ররোচনা বা পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে আরও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া আইনের ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে, এসব অপরাধের তদন্ত ও বিচার ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং ৪৭ ধারায় নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচারযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে মেট্রোরেল ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ