• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

আকুর বিল পরিশোধে কমলো রিজার্ভ, রেমিট্যান্সে স্বস্তিতে ডলারের বাজার

রিপোর্টার: / ১৩৮ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

আকুর বিল পরিশোধে কমলো রিজার্ভ, রেমিট্যান্সে স্বস্তিতে ডলারের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি দায় বাবদ প্রায় ১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। তবে বড় অঙ্কের এই পরিশোধের পরও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকায় ডলারের বাজারে আপাতত স্বস্তি রয়েছে।

রোববার (১০ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, ১০ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৪০ দশমিক ০২ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ রয়েছে ২৯ হাজার ৪৭৯ দশমিক ২৭ মিলিয়ন ডলার।

এর আগে বুধবার (৭ মে) দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। আকুর বিল পরিশোধের পর স্বাভাবিকভাবেই রিজার্ভে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, আকুর বিল পরিশোধের সময় প্রায় প্রতি দুই মাস অন্তরই রিজার্ভে সাময়িক পতন দেখা যায়। কারণ সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির হিসাব নির্দিষ্ট সময় পর একসঙ্গে নিষ্পত্তি করা হয়। তবে এবার রেমিট্যান্সের ইতিবাচক প্রবাহ পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম ৯ দিনেই দেশে এসেছে ১০২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের ৯ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, হুন্ডি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি এবং বাজারভিত্তিক ডলার বিনিময় হার রেমিট্যান্স বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন শ্রমবাজারে নতুন কর্মী যাওয়ায় সামনের মাসগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানান, আগের তুলনায় এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কম ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপও কিছুটা কমেছে। তবে সামনে জ্বালানি আমদানি, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বড় প্রকল্পের দায় পরিশোধের চাপ রয়েছে। তাই রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের ধারা ধরে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

আকু বা এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন হলো এশিয়ার কয়েকটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ৯টি দেশের আমদানি-রপ্তানির বিল প্রতি দুই মাস পরপর পরিশোধ করা হয়। আকুর সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ইএসক্যাপের উদ্যোগে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ইরানের তেহরানে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ