• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকার, গ্রাম পুলিশে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ

রিপোর্টার: / ৯০ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকার, গ্রাম পুলিশে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ

উপশিরোনাম:

ইউএনডিপির সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী; স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতে জোর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গ্রাম পর্যায়ে সহজ, দ্রুত ও স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকর ও জনবান্ধব করতে গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

আজ সচিবালয়ে United Nations Development Programme (ইউএনডিপি)-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নে-সহ চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

বৈঠকে গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি এবং এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় মন্ত্রী বলেন, শতবর্ষ ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে একদিকে যেমন আদালতের ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষও সহজে ন্যায়বিচার পাবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় মন্ত্রী গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন, নারীর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও জনবান্ধব হবে। পাশাপাশি নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নারী ও শিশু সংক্রান্ত সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ