• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

জুলাই জাদুঘর হবে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের স্থায়ী দলিল: স্পিকার

রিপোর্টার: / ৮৪ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

জুলাই জাদুঘর হবে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের স্থায়ী দলিল: স্পিকার

উপশিরোনাম:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি ও আলামত সংরক্ষণে নির্মাণাধীন জাদুঘর ঘুরে দেখলেন স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে নির্মাণাধীন জাদুঘরকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক স্থায়ী দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু আন্দোলনের ইতিহাসই জানাবে না, বরং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিরোধের শক্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দেবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, “এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, মানুষ এখানে এসে মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাবে। বাংলাদেশের মানুষ কোনো স্বৈরাচারকে সহ্য করে না, এই জাদুঘর সেটাই প্রমাণ করবে।”

তিনি জানান, জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও দলিল সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে আন্দোলনে নিহতদের ব্যবহৃত সামগ্রী, পরিবারের কাছে লেখা শেষ চিঠি, দুর্লভ আলোকচিত্র এবং রাজপথের গণসমাবেশের নানা দৃশ্য স্থান পেয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনার “হত্যার নির্দেশের কল রেকর্ডও” সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “যেভাবে তরুণরা গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে, তা সারা বিশ্বের জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। শহীদদের বুক পকেটে রাখা চিঠিগুলো দেখলে অশ্রু ধরে রাখা কঠিন।”

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে “পাতানো নির্বাচন ও লুটপাটের রাজনীতি” দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সেই বাস্তবতার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তির প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে এই জুলাই জাদুঘর।”

এ সময় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় জানান, আগামী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ অথবা ১ আগস্টের মধ্যে জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্পিকার বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিক ইতিহাস এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

তার ভাষায়, “গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেই ইতিহাস মনে করিয়ে দেবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ