• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদের ছুটিতে রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রে বাড়তি আয়োজন, দর্শনার্থীদের ঢল নামার প্রত্যাশা ঈদ সামনে, খুলনার কামারশালায় ব্যস্ততা চরমে; টুংটাং শব্দে মুখর বাজার ঈদ সামনে, পটুয়াখালীর পশুর হাটে উপচে পড়া ভিড়; জমে উঠেছে কোটি টাকার বেচাকেনা ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুতে ঘরমুখো মানুষের ঢল, ২৪ ঘণ্টায় পারাপার ৫৩ হাজার যানবাহন ছয় অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি, ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে জরুরি টিম রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১ জুন শুরু, ঈদেও খোলা থাকবে আদালত: আইনমন্ত্রী তিন বছর মেয়াদি নতুন সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ-আইএমএফের সমঝোতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

ঈদ সামনে, পটুয়াখালীর পশুর হাটে উপচে পড়া ভিড়; জমে উঠেছে কোটি টাকার বেচাকেনা

রিপোর্টার: / ৩ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

ঈদ সামনে, পটুয়াখালীর পশুর হাটে উপচে পড়া ভিড়; জমে উঠেছে কোটি টাকার বেচাকেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠেছে পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলার কোরবানির পশুর হাট। গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে হাটে আসছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা, আর পছন্দের পশু কিনতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় করছেন ক্রেতারা।

মঙ্গলবার সরেজমিনে জেলার বাউফল, দুমকি, গলাচিপা, কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, দশমিনা ও সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে।

বিশেষ করে বড় আকৃতির গরুগুলোকে ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা গেছে। হাটে দেশীয় জাতের পাশাপাশি উন্নত জাতের গরুও তোলা হয়েছে।

খামারিরা জানান, সারা বছর লালন-পালন করে প্রস্তুত করা পশু নিয়ে তারা এবার আশাবাদী। যদিও পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও অনেক বেড়েছে।

আব্দুল করিম নামের এক খামারি বলেন, প্রায় এক বছর ধরে তিনি তিনটি গরু লালন-পালন করেছেন। খাবার ও পরিচর্যায় অনেক খরচ হলেও ভালো দাম পেলে লাভের আশা করছেন।

অন্যদিকে ক্রেতারা পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে হাটে এসে পশু দেখছেন এবং কয়েকটি হাট ঘুরে দরদাম যাচাই করছেন। অনেকের মতে, এবার পশুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় দাম তুলনামূলক সহনীয় রয়েছে।

সদর উপজেলার ক্রেতা কেরামত আলী বলেন, “আগের তুলনায় এবার হাটে গরু বেশি এসেছে। তাই দরদাম করে সাধ্যের মধ্যেই ভালো গরু পাওয়া যাচ্ছে।”

হাটগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে ও পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। বিভিন্ন হাটে মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। অসুস্থ পশু শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন ভেটেরিনারি চিকিৎসকরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান জানান, জেলায় কোরবানির চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, “জেলায় ৭০টি স্থায়ী ও ৭৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। প্রতিটি হাটে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে প্রতিটি হাটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে পশুর হাটকে কেন্দ্র করে বেড়েছে অস্থায়ী দোকানপাট ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম। পশুখাদ্য, দড়ি, ছুরি, বাঁশ এবং পরিবহন ব্যবসায়ও এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে কোরবানির পশুর হাট ঘিরে পুরো জেলায় তৈরি হয়েছে প্রাণবন্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ