• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ১০০ ডলারের দোরগোড়ায় ব্রেন্ট ক্রুড মার্কিন বাজারে বোম্বার্ডিয়ারের বিমান বিক্রি বন্ধের হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিএমপির চার সহকারী পুলিশ কমিশনারের কর্মস্থল পরিবর্তন চ্যাম্পিয়নস লিগে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু রিয়াল মাদ্রিদের, এমবাপ্পের মাইলফলক নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় কাতারের মধ্যস্থতায় পূর্ণ সমর্থন চীনের ২০২৬-৩১ অর্থবছরের মধ্যে সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা সরকারের দুদকের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুই যুগ আগের মামলায় ১০৪ বছর বয়সে কারাগারে বৃদ্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় কাতারের মধ্যস্থতায় পূর্ণ সমর্থন চীনের

রিপোর্টার: / ৭ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত ৭ই সেপ্টেম্বর চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বেইজিংয়ে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। দুই দিনের সরকারি সফরে থাকা কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই আলোচনায় বেইজিং জ্বালানি, বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে কাতারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

লি কিয়াং কাতারকে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি একটি অধিকতর ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যে বহুপাক্ষিক সমন্বয় বৃদ্ধির আহ্বান জানান। চীনের প্রধানমন্ত্রী আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিরসনে কাতারের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি বেইজিংয়ের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাতার, অন্যান্য উপসাগরীয় রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে চীন প্রস্তুত।

বর্তমানে বেইজিং ও দোহা ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আগ্রহী। এই প্রণালীটি চীনের জ্বালানি সরবরাহ এবং কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, চীনের এলএনজি চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কাতার সরবরাহ করে থাকে। কাতারে একটি প্রধান মার্কিন বিমান ঘাঁটি থাকলেও দেশটি ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের উন্মুক্ত পথ বজায় রাখে, যা মধ্যপ্রাচ্যে সংলাপ ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে চীনের কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরবর্তী ‘সোনালী দশক’ শুরু করতে কাতার সব স্তরে আদান-প্রদান বাড়াতে আগ্রহী। তিনি বাণিজ্য, উচ্চ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন খাতে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, উভয় পক্ষ অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছে।

কাতারে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত কাও জিয়াওলিনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে চীন কাতারের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য। গত এক দশকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪ সালে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০.৬ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.২২ বিলিয়ন ডলারে।

উল্লেখ্য, আগস্টের শেষের দিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী তেহরান সফর করেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করা এবং হরমুজ প্রণালীতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সংলাপের কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যেই তিনি ওই সফর করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ