• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

রায়চুরে এক নারীর মৃত্যু: স্বামীসহ আটক দুই

রিপোর্টার: / ৯ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের রায়চুর জেলার সিন্ধনুর উপজেলার আরএইচ ক্যাম্প-৫ এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে স্নেহা (২৫) নামের এক নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ তাকে রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পাশে তার দেড় বছরের শিশু সন্তানকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়, যা ছিল এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত স্নেহা পাশের আরএইচ ক্যাম্প-৪ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ভারী পাথর দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ বর্তমানে সিন্ধনুর তালুক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পরপরই স্থানীয় থানা-পুলিশ তদন্তে নামে এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে তৎপরতা শুরু করে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী অমিত এবং কথিত প্রেমিক শুভমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে অমিত ও স্নেহার বিয়ে হয়। তবে গত চার মাস ধরে শুভম নামের ওই যুবকের সঙ্গে স্নেহার পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড এবং এর পেছনে প্রকৃত অপরাধী কে—তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাকে জাগিয়ে তোলার এই ব্যর্থ চেষ্টা আর অবোধ কান্নাই যেন জানান দিচ্ছিল ঠিক কতটা বর্বরোচিত ঘটনার শিকার হয়েছেন ওই নারী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, নারীর দেহে তখনও মৃদু শ্বাস বইছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর তার রক্তাক্ত দেহের ওপর আঁকড়ে ধরে একটানা কেঁদে চলেছে দেড় বছর বয়সী এক অবুঝ শিশু। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভারতের কর্ণাটকের রায়চুর জেলায় এমনই এক হৃদয়বিদারক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তার দেড় বছরের কন্যাসন্তানটিকে রক্তাক্ত মরদেহের ওপর বসিয়ে রেখে চলে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তখনো শিশুটি তার নিথর মাকে জড়িয়ে ধরে আহাজারি করছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ