• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক সানিসাইড রেলইয়ার্ডের উন্নয়নে ট্রাম্প-মামদানির নতুন সমঝোতা উপনিবেশবাদী শাসন ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তর: এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ এআইয়ের ভুল তথ্যে ইরানের স্কুলে মার্কিন হামলা অপ্রতিম অকাল প্রয়াণ: আসামিদের পক্ষ নেবেন না কুমিল্লা আইনজীবী ইস্তানবুল বিমানবন্দরে নতুন রানওয়ে চালু হচ্ছে বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন সহায়তা জোরদারে তারেক-বাঙ্গা বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের ১০ দেশে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা জারি প্রথম এ৩৩০ দিয়ে সান ফু কুওকের দূরপাল্লার যাত্রা শুরু

নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন উড়োজাহাজ চুক্তির সম্ভাবনা

রিপোর্টার: / ১৭ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরকালে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন নিউইয়র্ক সফরকে কেন্দ্র করে বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন একটি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সব পক্ষের আলোচনা ইতিবাচকভাবে শেষ হলে আগামী সপ্তাহেই নিউইয়র্কে এই চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। তবে বর্তমানে বিষয়টি একটি সম্ভাব্য পর্যায়ে রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এই প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় কতটি উড়োজাহাজ, কী ধরনের মডেল বা মোট মূল্য কত হবে, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি। এছাড়া অর্থায়ন এবং উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সীমা নিয়েও বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ পায়নি।

এর আগে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার একটি বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সেই চুক্তির তালিকা অনুযায়ী, ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ কেনার কথা ছিল, যার মোট মূল্য প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর গত আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে। তবে সেই অতিরিক্ত বরাদ্দের উড়োজাহাজ সংখ্যা বা ধরন তখন নির্ধারিত ছিল না।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, নতুন কোনো বোয়িং চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল কর্মসূচিতেও পরিবর্তনের অবকাশ রয়েছে। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ সচল রয়েছে। এপ্রিল মাসে করা ১৪টি উড়োজাহাজের চুক্তিটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে বিমানের সক্ষমতা ও বহরের আয়তন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বোয়িংয়ের বাইরেও এয়ারবাসের সঙ্গে একটি বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, বিমান ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় আছে, যার মধ্যে রয়েছে ৪টি এ৩৫০-৯০০ এবং ৬টি এ৩২১নিও মডেলের এয়ারক্রাফট।

সব মিলিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তার বহর আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের জন্য বড় ধরনের বিনিয়োগের পথে এগোচ্ছে। বোয়িং ও এয়ারবাস—উভয় দিক থেকেই আসা প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে তা বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে চুক্তির চূড়ান্ত সংখ্যা, উড়োজাহাজের ধরন, আর্থিক মূল্য এবং হস্তান্তরের সময়সূচি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একইভাবে উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচিও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ