
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কর্মকর্তাদের তালিকায় তার নাম ও পদবি প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ অফিসের অধীনে কাজ করবেন। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন ও রাজনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ব্যারিস্টারি যোগ্যতা অর্জন করেন।
ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ের বিভিন্ন পদে মোট ৪০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি দায়িত্ব পেয়েছেন। কার্যালয়ে দায়িত্ব পাওয়া অন্য পাঁচ বাংলাদেশি হলেন—মো. আবদুল আলিম, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাফিজুল ইসলাম, জাকির আহমেদ এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা।
বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ দায়িত্বে থাকা মো. আবদুল আলিম ডেপুটি শেফ দ্য কেবিনেট হিসেবে কাজ করছেন। পররাষ্ট্র ক্যাডারের এই কর্মকর্তা ২০১০ সালে জাতিসংঘে যোগ দেয়ার পর স্বল্পোন্নত দেশ, জলবায়ু ও উন্নয়ন অর্থায়ন নিয়ে কাজ করেছেন। এছাড়া মোয়াজ্জেম হোসেন অ্যাডভাইজার অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন, যার কায়রোর বাংলাদেশি মিশনে দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
অন্যদিকে, মাফিজুল ইসলাম ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফার্স টিমে সিনিয়র অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থায় তার প্রায় ১২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। একই টিমে জাকির আহমেদ সিনিয়র অ্যাডভাইজার হিসেবে যুক্ত আছেন, যিনি এর আগে মিয়ানমারে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে মিশনপ্রধান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কান্ট্রিজ ইন স্পেশাল নিডস টিমে সিনিয়র অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রফিকুল আলম মোল্লা। তিনি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সভাপতির কার্যালয় রূপান্তর প্রক্রিয়ায় কাজ করেছেন। বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যুতেও তার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি কায়রোর বাংলাদেশি মিশনেও তার ১৫ বছরের বেশি কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তৃতীয় কমিটি, নির্বাচন, প্রটোকল, তথ্যপ্রযুক্তি, মিশনের অনুষ্ঠান, ভিসা-পাসপোর্ট এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের মতো বিষয় দেখেছেন।