
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় পুলিশের শীর্ষ ও মাঝারি সারির আরও ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত এই ছয় কর্মকর্তার সবাই এর আগে থেকেই সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় ছিলেন। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সাজার আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে চিরতরে বরখাস্ত করা হলো এবং জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনাল-১ মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন এবং ২৬ জানুয়ারি থেকে তাঁর বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে। তিনি বর্তমানে সিলেটের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত ছিলেন এবং পূর্বে ডিএমপির রমনা জোনে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
একই ট্রাইব্যুনালের রায়ে কক্সবাজারের উখিয়ায় ৮ এপিবিএনে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির রমনা জোনে সাবেক এই সহকারী কমিশনারেরও বরখাস্তের আদেশ ২৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।
এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর পৃথক রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন আরও চার কর্মকর্তা। তাঁরা হলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত সৈয়দ নুরুল ইসলাম, রাজশাহীর সারদায় পুলিশ সুপার হিসেবে সংযুক্ত মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি এবং কক্সবাজারের ১৬ এপিবিএনে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম। এই চার কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। চাকরির আরও তথ্য: প্রজ্ঞাপনে ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তার চাকরি থেকে বরখাস্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।