• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদির ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স জাতিসংঘে তারেক রহমান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই গড়বে আগামী বিশ্বের মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, কাটছে গ্যাস সংকট হরমুজ প্রণালি খুলতে যুদ্ধবিরতি ও সম্পদ মুক্তির শর্ত ইরানের মিরপুরে টিকাদান কেন্দ্রে মধ্যরাতে নিরাপত্তা ঘটনায়, ভবন গুঁড়িয়ে লুট কাতারে গ্রীষ্মকালীন নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ৩৮৮ কর্মক্ষেত্র বন্ধ রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল ইসলাম আটক ইরানের সব এয়ারলাইন বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দিল যুক্তরাষ্ট্র দুর্গাপূজায় সরকারি কর্মচারীদের টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের আড্ডায় মিলিত হলেন কাদের গণি চৌধুরী

জাতিসংঘে তারেক রহমান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই গড়বে আগামী বিশ্বের

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করবে। আমরা বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়ো-টেকনোলোজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (ইউএনজিএ) সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রযুক্তিগত বিভাজন রোধের আহ্বান

ভাষণে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তবে এর সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতা আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।” তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্বকে সম্মান করে। একই সঙ্গে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।

জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালার দাবি

  • বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রায় কোনো দেশ যেন পিছিয়ে না থাকে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দেন।
  • সবার জন্য ন্যায্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
  • আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিকাশ ও দ্রুত সম্প্রসারণের সুফল যাতে দেশে দেশে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো যায়, সে ব্যাপারে জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ